ঢাকা রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

বরগুনায় আশ্রয়কেন্দ্রে বৃদ্ধার মৃত্যু, ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

বরগুনায় আশ্রয়কেন্দ্রে বৃদ্ধার মৃত্যু, ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
×

গাছ উপড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ নভেম্বর ২০১৯ | ০১:৪৭ | আপডেট: ১০ নভেম্বর ২০১৯ | ০২:১২

বরগুনা সদর উপজেলার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে হালিমা খাতুন (৬৬) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। 

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ র আঘাতে ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে কাঁচা ঘরবাড়ি। উপরে গেছে অসংখ্য গাছপালা। ভেঙে গেছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। নষ্ট হয়েছে ফসলি জমি। 

বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনিচুর রহমান জানান, হালিমা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ডিএন কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছিলেন। শনিবার রাতে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তার মৃত্যু হয়।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বরগুনার ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বেশিরভাগ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে গাছপালা উপড়ে। মারা গেছে গবাদি পশু এবং নষ্ট হয়েছে ফসলি জমি। 

এদিকে জেলার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া নামক এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে লোকালয়। তলিয়ে গেছে বাড়িঘর ও ফসলি জমি। 

এছাড়া সদর উপজেলার জাঙ্গালিয়া, লবণগোলা, পাথরঘাটা উপজেলার জ্বীনতলা, তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙ্গাসহ কয়েকটি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এ ক্ষয়ক্ষতির তালিকা এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি। প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করে আজকের (রোববার) মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সহায়তা হিসেবে জেলায় ১০ লাখ টাকা জিআর ক্যাশ, ৪শ’ মেট্রিক জিআর খাদ্যশস্য, ৪০৯ বান্ডিল ঢেউটিন, গৃহনির্মাণ মজুরি বাবদ ১২ লাখ ২৭ হাজার টাকা, ৬৫০ পিস কম্বল, শুকনা খাবার ৩৫০ প্যাকেট, শিশুখাদ্য বাবদ ১ লাখ এবং গো-খাদ্য বাবদ ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার বরগুনায় জোয়ারের পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন

×