পশুর নদীতে ডোবা কয়লাবোঝাই জাহাজের হদিস মেলেনি
ফাইল ছবি
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৪৩ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৫১
| প্রিন্ট সংস্করণ
সুন্দরবনের পশুর নদীতে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজটির অবস্থান বুধবারও শনাক্ত করা যায়নি। বুধবার বন বিভাগ ও কয়লার মালিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা পৃথকভাবে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেও জাহাজটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করতে পারেননি। এতে দুর্ঘটনার দুই দিন পরও জাহাজটি উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়নি।
এদিকে ঘটনাস্থলের আশপাশ এলাকা পরিদর্শন করে নদীতে তেলের আস্তরণ বা তেল ছড়িয়ে পড়ার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। জাহাজটি মূল নৌচ্যানেলের বাইরে ডুবে যাওয়ায় আপাতত নৌযান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে না। ডুবে যাওয়া জাহাজটি উদ্ধারে মালিকপক্ষকে ১৫ দিনের সময় দিয়ে চিঠি দিয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
গত সোমবার রাত ৯টার দিকে পশুর চ্যানেলের সুন্দরী কোঠা এলাকায় তেলবাহী একটি ট্যাংকারের ধাক্কায় এমভি ফুলবাড়ী নামের কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়। জাহাজটিতে থাকা নয়জন স্টাফ সাঁতরে পাশের একটি কার্গো জাহাজে আশ্রয় নেওয়ায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। জাহাজটিতে প্রায় ১ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন কয়লা ছিল।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. সালাহ উদ্দিন কবির জানান, ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটি নদী থেকে অপসারণের জন্য বন্দরের হারবার বিভাগ থেকে মালিকপক্ষকে ১৫ দিনের সময় দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাহাজটি উদ্ধার বা অপসারণ করা না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ার কোনো চিহ্ন পায়নি।
এদিকে ডুবে যাওয়া জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করতে বুধবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ও আশপাশের নদী এলাকা ঘুরে দেখেন। চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস বলেন, যেখানে কার্গো জাহাজটি ডুবেছে, সেখানে নদীর গভীরতা অনেক বেশি। পরিদর্শনের সময় আশপাশের এলাকায় কয়লা বা তেলের কোনো আস্তরণ চোখে পড়েনি।
- বিষয় :
- বাগেরহাট
- মোংলা বন্দর
- কার্গো জাহাজ
- কয়লা