নারীর উন্নয়ন ছাড়া দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা- সমকাল
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ১০:৩২
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারীদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে নারী-পুরুষের সমান অধিকার দিয়ে গেছেন। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সাল থেকে জয়িতার কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন। নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী এখন বিশ্বে রোল মডেল।
বুধবার নগরের এলজিইডি কনফারেন্স হলে বিভাগীয় পর্যায়ে জয়িতাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধী দলের নেত্রী ও সংসদ উপনেতা নারী। বিশ্বের কোথাও রাষ্ট্রীয় উচ্চপদে এত বেশি নারী নেই। দেশের বিভিন্ন স্তরে নারীরা আজ নিজ নিজ মেধা ও কর্মদক্ষতায় যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুন নেছা ও চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নুরুল আলম নিজামী। জয়িতা নির্বাচনে বিচারকদের পক্ষে বক্তব্য দেন বিভাগীয় স্থানীয় সরকার পরিচালক দীপক চক্রবর্তী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন চট্টগ্রাম মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক অঞ্জনা ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি-বাকলিয়া) সাবরিনা আফরিন মুস্তফা।
অনুষ্ঠানে পাঁচ ক্যাটাগরিতে বিভাগের ১১ জেলার মোট ৫৫ জয়িতার মধ্য থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে পাঁচজনকে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করা হয়। তাদের প্রত্যেককে নগদ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন প্রতিমন্ত্রী। বাকি ৫০ জয়িতাকেও নগদ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতারা হচ্ছেন- অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী ইয়াছমিন আক্তার (কপবাজার), শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে ডা. সুপর্ণা দে সিম্পু (চট্টগ্রাম), সফল জননী সপনেহার বেগম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা রত্না চক্রবর্তী (চট্টগ্রাম) ও সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা পাইংম্রাউ মার্মা (বান্দরবান)।
