ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বাল্যবিয়ের দায়ে বর-কনেকে জরিমানা

বাল্যবিয়ের দায়ে বর-কনেকে জরিমানা
×

প্রতীকী ছবি

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২০ | ০৯:৪৭

এক মাস আগে বাল্যবিয়ে করেও রক্ষা পেল না বর-কনের পরিবার। কনের বয়স কম হওয়ায় অন্যত্র গোপনে তাদের কাবিন করানো হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মাইক্রোবাসে বর-কনে সেজেগুজে কনের বাড়িতে ফিরছিল। আকস্মিক রাস্তায় মাইক্রোবাসটি থামান জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম হাবিবুল হাসান। বাল্যবিয়ের ঘটনাটি জানতে পেরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বরের ১০ হাজার ও কনের বাবার পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি।

এক মাস আগে বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার মর্তিজাপুর গ্রামের মোতালেব প্রামাণিকের ছেলে শাহেদুল ইসলামের (১৯) সঙ্গে আক্কেলপুর পৌরসভার মানিকপাড়া-হাজিপাড়া মহল্লার শাহিন হোসেনের মেয়ে শ্যামলী আকতারের (১৪) পারিবারিকভাবে কাবিন হয়। কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় গোপনে বরের পরিবার তার এলাকায় নিয়ে গিয়ে কাবিন সম্পন্ন করে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বর-কনে একটি মাইক্রোবাসে কনের বাড়িতে যাচ্ছিল। এ সময় ইউএনও উপজেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে কার্যালয়ে ফিরছিলেন। পথে আক্কেলপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সংলগ্ন একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাস দেখে ইউএনওর সন্দেহ হয়। এ সময় গাড়িতে থাকা লোকজনকে জিজ্ঞেস করতেই জানা যায় বাল্যবিয়ের খবর। তখন ইউএনও বরকে তার গাড়িতে তুলে নিয়ে আসেন কার্যালয়ে। খবর পেয়ে রাতেই কনের বাড়ির লোকজন ও বরের আত্মীয়স্বজন ইউএনওর কার্যালয়ে আসেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে দুই পক্ষকে জরিমানা করেন তিনি।

বর শাহেদুল ইসলাম জানায়, আমি ঢাকায় ট্রাক চালাই। তিন মাস পর বিদেশে চলে যাব। তাই পরিবারের সিদ্ধান্তে মেয়েটিকে বিয়ে করি। কনের বাবা শাহিন হোসেন বলেন, আমি গরিব মানুষ। হঠাৎ ভালো ঘর পাওয়ায় এক মাস আগে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিলাম। এখন বুঝতে পারছি, এটা আমার অন্যায় হয়েছে।

আরও পড়ুন

×