সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা- সমকাল
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ১০:০৭
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা নির্মাণকাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরিদর্শনকালে এএসইর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর প্রকল্পের রাশিয়ান প্রকল্প পরিচালক সের্গেই লাসতোচকিন প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের নির্মাণকাজের চিত্র তুলে ধরেন।
শনিবার কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির নেতৃত্বে কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম খান এমপি, শিরীন আহমেদ এমপি এবং সেলিমা আহমাদ এমপি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, অতিরিক্ত সচিব ইতি রানী পোদ্দার, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল হক, প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর, প্রকল্পের উপদেষ্টা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, প্রকল্পের মুখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা অলোক কুমার চক্রবর্তী, প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে রুহুল হক এমপি বলেন, আমাদের প্রকৌশলী ও রুশদের কর্মপ্রচেষ্টায় এবং সুন্দর ব্যবস্থাপনায় কাজের অগ্রগতি দেখে আমরা আজ অভিভূত। তিনি আরও বলেন, আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী নিয়মিত এখানে এসে কাজের তদারক কারণে প্রকল্পের কাজ সুন্দরভাবে সম্পাদিত হচ্ছে।
নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুহুল হক এমপি বলেন, ভূমিকম্প ও দুর্ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে এ প্রকল্পে নিরাপত্তার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ প্রথম ইউনিটের পাঁচ স্তরের নিরাপত্তাবলয় স্বচক্ষে দেখে আমরা কমিটির সবাই সন্তুষ্ট।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানসহ অন্য সদস্যরা কর্মযজ্ঞ দেখলেন। কর্মযজ্ঞ দেখে তারা যদি খুশি হন, তাহলে আমরাও খুশি।
সংসদীয় কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম খান বলেন, রূপপুর প্রকল্পের কারণেই ঈশ্বরদীতে একটি নৌবন্দর হতে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত রূপপুর প্রকল্পের ভারী যন্ত্রপাতি আনার জন্য হার্ডিঞ্জ সেতুর প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দূরে নৌবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর বলেন, আন্তর্জাতিক রীতিনীতি মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ প্রকল্প হতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালন হবে বলে আশা করি।
