ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

খাগড়াছড়ি আ'লীগের সম্মেলন রোববার

খাগড়াছড়ি আ'লীগের সম্মেলন রোববার
×

সম্মেলনের প্রস্তুতিতে সাজানো হয়েছে মঞ্চ- সংগৃহীত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ১০:২৮

সাত বছর পর রোববার খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

জেলা আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি থাকবেন।

নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসছেন এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। সম্মেলন ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

সম্মেলনে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার সঙ্গে বর্তমান কমিটির অন্যতম সহসভাপতি পানছড়ি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সমীর দত্ত চাকমা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিলেও গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন।

ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জেলা সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার বিরুদ্ধে কয়েকটি উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারসহ পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ তোলেন।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনির হোসেন খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মো. কাশেম, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাহাব উদ্দিন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ জব্বার, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার এবং মাটিরাঙা পৌরসভার মেয়র সামছুল হকের নাম আলোচিত হচ্ছে।

২০১২ সালের ১১ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলেও প্রায় তিন বছর পর ২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে সভাপতি ও জাহেদুল আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন পায়। কিন্তু ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচন ইস্যুতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ পৌঁছে যায় তৃণমূল পর্যন্ত। শুরু হয় আলাদা কর্মসূচি পালন, পাল্টাপাল্টি হামলা-মামলা। এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে।

এর জেরে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে জাহেদুল আলমকে অব্যাহতি দিয়ে ২নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এবারের সম্মেলনে তিনিও ভারমুক্ত হয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ দিদারুল আলম বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে কাউন্সিলরদের ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে তৃণমূলের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে। জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনির হোসেন খান বলেন, জেলার নেতাকর্মীরা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিবাজমুক্ত নেতৃত্ব চাইছেন।

সম্মেলনের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা পাহাড়ের এই মাটিতেই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এবারের সম্মেলনেও শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে নেতাকর্মীরা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বেছে নেবেন। তিনি জানান, দলের গঠনতন্ত্র মেনেই দল পরিচালনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×