ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে প্রচেষ্টা চলছে’

‘রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে প্রচেষ্টা চলছে’
×

বক্তব্য রাখছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন -সমকাল

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০১৯ | ০৪:৫৪

‘আমাদের প্রচেষ্টা চলছে, কিভাবে দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়। কিন্তু আন্তজার্তিকভাবে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। সেদেশ নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্বের কাছে একটি বিরল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের মানুষ। এইটি হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশ। এটি শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।’

মঙ্গলবার দুপুরে টেনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী স্থানীয় জনগণের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন এসব কথা বলেন।

এ সময় আরও বক্তব্যে রাখেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর ডেপুটি হাই কমিশনার কেলি টি ক্লিমেটস, টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী। 

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর অর্থায়নে ওয়াল্ড ভিশন প্রতিজন বয়স্ককে ৬ হাজার, ও প্রতিবন্ধীকে ৮ হাজার ৪০০ টাকা করে মোট ৫০০ জনকে এক বছরের নগদ টাকা বিতরণ করে। এইভাবে দেড় হাজার স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সহাতায় দেওয়া হবে।  

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় জনগণ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এতে কোন সন্দেহ নেই। ফলে সরকার স্থানীয়দের বিভিন্ন মাধ্যমে সহতায় দিয়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে এটি একটি। রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টি করেছে মিয়ানমার, তাদেরই এটা সমাধান করতে হবে। তবে যতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হবে না, ততদিন স্থানীয়রা তাদের মানবিকতা দেখিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন,‘এটা সত্য যে কিছু এনজিও সংস্থা বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়া সরকার তাদের কঠোর নজরদারিতে রেখেছে।’

ইউএনএইচসিআর-এর ডেপুটি হাই কমিশনার কেলি টি ক্লিমেটস বলেন, ‘আগের তুলনায় রোহিঙ্গাদের অবস্থা পরিবর্তন হয়েছে। বিপুল সংখ্যা রোহিঙ্গাদের সহতায় দেওয়ার এই অঞ্চলে মানুষকে ধন্যবাদ জানায়। অনেক আনন্দিত লাগছে স্থানীয়দের সহতায় দিতে পেরে। এভাবে ১৭ হাজার স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে অর্থ সহতায় দেওয়া হবে।’

এর আগে তিনি নয়াপাড়া মৌচনি ক্যাম্প সংলগ্ন রোহিঙ্গাদের গ্যাস বিতরণ কেন্দ্র, হ্নীলাপাড়া মৌচনী আর্দশ বিদ্যাপীঠ ও শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখেন। 

আরও পড়ুন

×