টেকনাফ স্থলবন্দরে পেঁয়াজ আসা কমেছে
টেকনাফে (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০১৯ | ০৯:৪৫
মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে পেঁয়াজ আসা কমে গেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আট ব্যবসায়ীর কাছে আসা ৫৪৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। এসব পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রওনা দিয়েছে।
এর আগে গত তিন দিনে মিয়ানমার থেকে আসা ২ হাজার ৭৭৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছিল।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মো. আবছার উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন পেঁয়াজ আসছে। কোনো দিন বেশি, কোনো দিন কম আসছে। ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে তারা পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি করে।
তিনি বলেন, তিন দিনে টেকনাফ স্থলবন্দরে আসা ২ হাজার ৬৭৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। সর্বশেষ সোমবার একদিনে ১১০৩ দশমিক ১৭১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি মাসে ১৭ হাজার ৯৫২ দশমিক ৯৬৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মিয়ানমারে থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজভর্তি ট্রলারগুলো দ্রুত খালাস করছে শ্রমিকরা। তবে মিয়ানমার থেকে আসা বেশিরভাগ পেঁয়াজ দেখতে আকারে বড়। অনেকে এই পেঁয়াজগুলোকে 'চীনা পেঁয়াজ' নামে উল্লেখ করছে।
পেঁয়াজ আমদানিকারকরা বলেন, মিয়ানমার থেকে আরো কয়েকশ' মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভর্তি একাধিক ট্রলার স্থলবন্দরের পথে রওনা দিয়েছে। এর আগে মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দরে খালাস হওয়ার পর ট্রাকভর্তি করে সেগুলো চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছেছে।
টেকনাফ শুল্ক বিভাগ জানায়, মিয়ানমার থেকে এ বন্দর দিয়ে চলতি নভেম্বর মাসের ২৫ দিনে ১৭ হাজার ৯৫২ দশমিক ৯৬৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এছাড়া অক্টোবর মাসে ২০ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি হয় ৩৫৭৩ দশমিক ১৪১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। আগস্ট মাসে এসেছে ৮৪ মেট্রিক টন পেঁয়াজ।