ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় যমুনার চরে মা-মেয়ের লাশ

বগুড়ায় যমুনার চরে মা-মেয়ের লাশ
×

বগুড়া ব্যুরো ও সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২১ | ০৮:৫৯

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম চর থেকে রোববার রাতে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের গলাটিপে হত্যা করা হয়। 

নিহতরা হলেন- সারিয়াকান্দির বোহাইল ইউনিয়নের ধারাবর্ষা চরের আল আমিনের স্ত্রী শেফালী খাতুন (২২) ও তার পাঁচ মাস বয়সী শিশুকন্যা রুমানা। 

এ ঘটনায় ওই নারীর বাবা স্বামী আল আমিনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে স্বামী অপর দুই সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে শেফালী খাতুন তার অসুস্থ শিশুসন্তানকে কবিরাজি চিকিৎসা করানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ ধারাবর্ষা চরের শংকরপুর এলাকায় আইমা বেগম নামের নারী কবিরাজের বাড়ি যান তিনি। এরপর রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। স্ত্রী বাড়ি না ফেরায় রোববার দুপুরে আল আমিন একই চরে তার শ্বশুরবাড়ি যান। পরে শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজনসহ খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাস্তাসংলগ্ন ভুট্টাক্ষেতে শিশুকন্যা রুমানা ও শেফালীর লাশ দেখতে পান। ভুট্টাক্ষেতে মা-মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে গ্রামবাসী পুলিশে খবর দিলে পুলিশ রাত ১০টার দিকে উদ্ধার করে। পুলিশের ধারণা, শনিবার রাতের যে কোনো সময় মা-মেয়েকে গলাটিপে হত্যা করে মরদেহ ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা।

সারিয়াকান্দি থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, যমুনা নদীর দুর্গম চরে মা ও মেয়ের লাশের খবর পেয়ে পুলিশ নৌকা নিয়ে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তিনি আরও জানান, হত্যার কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় শেফালীর বাবা ওসমান গনি স্বামীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সোমবার মামলা করেছেন।

ওসমান গনি অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে যৌতুকের জন্য আল আমিন মাঝেমধ্যেই নির্যাতন করত। আল আমিনই তার মেয়ে ও নাতনিকে খুন করেছে।

সারিয়াকান্দি-গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আল আমিনকে গ্রেপ্তার করার পর সব জানা যাবে।

আরও পড়ুন

×