ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

জিঞ্জিরামে ভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন

জিঞ্জিরামে ভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন
×

জিঞ্জিরাম নদীর পাড়ে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাত শতাধিক মানুষ অংশ নেয়-সমকাল

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০০:৫৯

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে নদীভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জিঞ্জিরাম সুরক্ষা কমিটি। মঙ্গলবার উপজেলার বকবান্ধা ব্যাপারিপাড়ায় জিঞ্জিরাম নদীর পাড়ে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাত শতাধিক মানুষ অংশ নেয়। উপস্থিত বক্তারা নদীভাঙন রোধ ও নদীর স্বাভাবিক গতি চলমান রাখার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নদী সুরক্ষা কমিটির নেতা মহীউদ্দিন মহির, ইউপি সদস্য আবু সাঈদ, রৌমারী মহিলা কলেজের শিক্ষক আব্দুস সামাদ খান, বকবান্ধা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি আক্কাস আলী, মর্তুজ আলী, আব্দুল বাতেন ও ট্রোসা প্রকল্পের প্রতিনিধি খায়রন্নেসা সরকার।

মানববন্ধনে মহীউদ্দিন মহির বলেন, ‘নদী আমাদের প্রাণ-প্রকৃতিকে টিকিয়ে রেখেছে। ভারত থেকে প্রবাহিত যৌথ ৫৪টি নদীর মধ্যে জিঞ্জিরাম একটি। যৌথ নদী কমিশন আইন অনুযায়ী কোনো দেশ অন্য দেশের ক্ষতি করে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করতে পারে না; কিন্তু জিঞ্জিরামের ক্ষেত্রে উজানে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় নদীর স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ভাঙন প্রবণতা বাড়ছে। ফসলি জমি, ভিটেমাটি, কবর, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা সবই নদীতে চলে যাচ্ছে। জিঞ্জিরামের মতো নদীর ভাঙন রোধে যেখানে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের বাজেটই যথেষ্ট, সেখানে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই।’

প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমি যে স্কুলে চাকরি করি সেটা একবার ভেঙেছে। আবারও ভাঙনের মুখে। আমি এ অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বসতি রক্ষায় অনতিবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি।’

মর্তুজ আলী নামাপাড়া গ্রামে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় স্থাপন করা বাঁশের বান্ডালের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘নামাপাড়ার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকায় অল্পখরচে তারা যে কাজ করেছে, বকবান্ধায় গ্রামবাসীর মতামত ও সহযোগিতা না নেয়ায় সরকারি খরচে তা করতে চারগুণ অর্থ বেশি লেগেছে।’

আব্দুস সামাদ খান বলেন, ‘নদীর চলমান গতিকে রক্ষা করেই আমাদের ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেতে হবে। সে ক্ষেত্রে নদীর পাড় সুরক্ষায় সরকারি উদ্যোগ দরকার।’

আরও পড়ুন

×