ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আসামির স্বীকারোক্তি

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় স্কুলছাত্রী শারমিনকে

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় স্কুলছাত্রী শারমিনকে
×

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২০ | ০৮:২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় স্কুলছাত্রী শারমিনকে গণধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ছুট্টু মিয়া নামের এক আসামি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুখ্য বিচারিক হাকিম জাহিদ হোসেনের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় ওই আসামি। শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পরিদর্শক (প্রশাসন) কবির হোসেন এ তথ্য জানান।

ছুট্টু মিয়া উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে। তাকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী শারমিন বেগমকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ছুট্টুসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে নাসিরনগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। তদন্তের দায়িত্ব পান পিবিআইর এসআই স্বপন চন্দ্র দাস। অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গত বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থেকে আসামি ছুট্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এলাকাবাসী ও স্কুলছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে ছুট্টু তার বাবা শুক্কুর আলীকে কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী শারমিনের বাবাকে ফাঁসাতে তাকে আসামি করে আদালতে মামলা করে ছুট্টু। পরে ওই ছাত্রীর বাবাও ছুট্টুকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ওই বছরের ২৬ জুলাই হাজিরা দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে যান শারমিনের বাবা-মা। এ সময় ছুট্টুসহ কয়েকজন বাড়িতে ঢুকে একা পেয়ে শারমিনকে গণধর্ষণ করে। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় তাকে।

পিবিআইর পরিদর্শক (প্রশাসন) কবির হোসেন বলেন, ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে আসামি ছুট্টু। এ ঘটনায় জড়িত আরও পাঁচজনের নাম বলেছে সে।

আরও পড়ুন

×