ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

হোম ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পে উন্নত প্যাকেজিং ও কর ছাড় চান উদ্যোক্তারা

হোম ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পে উন্নত প্যাকেজিং ও কর ছাড় চান উদ্যোক্তারা
×
×

ঢাকা ক্লাবে কনফারেন্স আয়োজন করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:৪৭ | আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:৪৮

হোম ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পের বিকাশে উন্নত প্যাকেজিং, কাঁচামালে কর ছাড়, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোসহ নীতি সহায়তা চেয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, পণ্যের সুরক্ষা ও গুণগত মান নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডের পরিচিতি তৈরি এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন-সব ক্ষেত্রেই প্যাকেজিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আজ শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ হোম অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্সে’ এসব বিষয় উঠে আসে। 

সম্মেলনে প্যাকেজিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে রিমার্ক সুপার প্যাক প্রধান জয়ন্ত সরকার জানান, আধুনিক প্রযুক্তি, নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা এবং কাস্টমাইজড প্যাকেজিং সুবিধার মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয়ভাবে বিশ্বমানের প্যাকেজিং তৈরির সুযোগ তৈরি করছে তারা। কসমেটিকস ও স্কিন কেয়ার টেকনোলজি জায়ান্ট কোম্পানি রিমার্ক এইচবির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে রিমার্ক সুপার প্যাক এরই মধ্যে দেশের শীর্ষ প্যাকেজিং কোম্পানি হিসেবে অবস্থান তৈরি করেছে।

সরকারের নীতিসহায়তা চেয়ে তিনি বলেন, প্যাকেজিং শিল্পের টেকসই বিকাশে কাঁচামাল আমদানিতে কর কমানো, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। 

কসমেটিকস ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে রিমার্কের পরিচালক সুকান্ত দাস বলেন, এ শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি বিকাশে ভোক্তাদের আস্থা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য পণ্যের গুণগত মান, নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা দরকার। একই সঙ্গে মানহীন ও নকল পণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। 

তিনি আরও বলেন, হোম ও পার্সোনাল কেয়ার এবং কসমেটিকস শিল্পের জন্য পাঁচ বছরের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা করা হলে তা অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। এ জন্য দেশীয় উৎপাদকদের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালার উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

হোম ও পার্সোনাল কেয়ার খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন রিমেক্স করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার ত্বাহা। তিনি বলেন, উৎপাদন, সরবরাহ, বাজার বিশ্লেষণ ও বিপণনে ডিজিটাইজেশনের ব্যবহার বাড়ানো গেলে ব্যাবসার দক্ষতা উন্নত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে দ্রুত ধারণা পাওয়া সম্ভব।

সম্মেলনে অনলাইন বাজারে নকল ও মানহীন পণ্য বিক্রির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ ধরনের পণ্য ভোক্তাদের আস্থা ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করে। এজন্য বাজার তদারকি, মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তারা।
 

আরও পড়ুন

×