ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ১০:২২

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইইউ প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মেঘনা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে সুশাসন ও মানবাধিকারবিষয়ক সাব-গ্রুপের নবম সভায় তারা এ প্রত্যাশা জানান। 

সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার সম্পর্ক বিস্তৃত ও জোরদার করতে এ সভা হয়। 

এতে বাংলাদেশের পক্ষে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে ইউরোপিয়ান এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলবিষয়ক বিভাগের প্রধান ক্যারোলিন ভিনোট যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন। সভায় ক্যারোলিন ভিনোটের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের বিশটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইইউকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকতার প্রশ্নে মিয়ানমার থেকে আসা বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছেন। কিন্তু মিয়ানমারের এই নাগরিকরা পরিবেশ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ যে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে, তা দীর্ঘায়িত হলে এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিঘ্নিত হবে। সভায় মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ইইউ এবং এর সদস্য রাষ্ট্রসহ সবার সমর্থন চাওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তারা এ সমস্যা সমাধানে আগ্রহী হবে না।

সভায় ইইউ প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সংকট ছাড়াও সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রগতিকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ইইউ প্রতিনিধিদের কাছে এ সময় শ্রম অধিকার, নারী ও শিশু অধিকার, ধর্মীয় অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়।

২০১৮ সালের নির্বাচন সম্পর্কে ইইউর উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, নিবন্ধিত ৩৯টি দলের অংশগ্রহণে প্রায় এক হাজার ৭০০ প্রার্থীর প্রতিযোগিতায় অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। এতে আগের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে কম সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন

×