ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সচেতনতাই ভরসা

সচেতনতাই ভরসা
×

রাজবংশী রায়

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

করোনাভাইরাসের সর্বোচ্চ সংক্রমণ চলছে দেশে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় দুই হাজারের ওপরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন সাড়ে পাঁচশ'র বেশি মানুষ। দেশজুড়ে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে চরম উদ্বেগ-উৎণ্ঠার মধ্যেই ছুটি আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার থেকে সব অফিস-আদালত খুলছে। ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে অফিস খোলা রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে চাইছে সরকার। এই সময়ের সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্নিষ্টরা। সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেওয়ার পাশাপাশি শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চালুরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে করোনা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন, বাস্তবতার কারণে জীবন-জীবিকার সমন্বয় করেই চলতে হবে। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
দেশে করোনা সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর ২৬ মার্চ প্রথম ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে সেই ছুটি বাড়ানো হয়। ছুটি আর না বাড়ানোর সরকারি ঘোষণার পর হাজার হাজার মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। সড়ক-মহাসড়কে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় বাড়ছে। মাওয়া, পাটুরিয়া-দৌলতিয়া ফেরিঘাটে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে মানুষের ঢল নেমেছে। সর্বোচ্চ সংক্রমণের এই সময়ে মানুষের উপচেপড়া ভিড় নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে। অফিস-আদালত পুরোদমে চালুর পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের অভিমত, সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিজ্ঞানসম্মত নয়। এতে করে সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও নাজুক হবে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়বে। আবার অনেকে বলেছেন, বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে মাসের পর মাস সবকিছু বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। জীবিকার প্রয়োজনে সরকারের কাছে আর বিকল্প কোনো পথ নেই। তাই বাধ্য হয়েই সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সর্বোচ্চ সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনাকে সঙ্গে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্যবিদদের অনেকে।
সচেতনতাই হবে প্রতিরোধের কৌশল : করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য জনস্বাস্থ্যবিদদের সমন্বয়ে আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই কমিটির প্রধান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন সমকালকে বলেন, জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করলে বলতে হবে, এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে সংক্রমণ আরও বাড়বে। সংক্রমণের মাত্রা কোন পর্যায়ে পৌঁছাবে তা এখনই বলা যাবে না। কার্যকর লকডাউন ও সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আলোকে সংক্রমণ পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি ধারণা করা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে এ পর্যন্ত কার্যকর লকডাউন হয়নি। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি ও সামজিক দূরত্বও শতভাগ মেনে চলা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে বিভিন্ন সময়ে হাজার হাজার মানুষ ঢাকাসহ বিভিন্ন সংক্রমিত অঞ্চল থেকে গ্রামে আসা-যাওয়া করেছেন। ফলে সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়বে- এটি নিশ্চিত করেই বলা যায়।
ডা. শাহ মনির হোসেন বলেন, এপ্রিল মাসে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনার সময় লকডাউন ছিল। ওই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়কে পিকটাইম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। অর্থাৎ এই সময়ে সর্বোচ্চ সংক্রমণ হবে। এরপর ধাপে ধাপে তা কমতে শুরু করবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই পর্যালোচনা আর বিবেচনায় নেওয়া যাবে না। সবকিছু খুলে দেওয়ার পর বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল দেশে নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব হবে না। সংক্রমণ পরিস্থিতি কোন মাত্রায় পৌঁছাবে এবং কবে নাগাদ স্বাভাবিক অবস্থায় আমরা ফিরতে পারব, তা অনিশ্চিত হয়ে গেল।
অফিস-আদালত চালুর বিষয়ে সরকারকে কোনো পরামর্শ দিয়েছিলেন কিনা- এমন প্রশ্নে এই জনস্বাস্থ্যবিদ বলেন, শুধু স্বাস্থ্যগত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা কথা বলেছি। কিন্তু সরকারকে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি অর্থনীতিসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়। এসব বিবেচনা করেই হয়তো সরকার সবকিছু খুলে দিতে বাধ্য হয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলোও লকডাউন তুলে নিচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষে এর বিপরীতে হাঁটা সম্ভব নয়। জীবন-জীবিকার সমন্বয় করেই পথ চলতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
করোনা প্রতিরোধ সংক্রান্ত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. সহিদুল্লা সমকালকে বলেন, অফিস-আদালত খুলে দেওয়াসহ বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কমিটির সদস্যরা আজ (বৃহস্পতিবার) একটি বৈঠক করেছি। একটি বিষয়ে সবাই একমত হয়েছি, তা হলো- অফিস খুলে দেওয়ার পর সংক্রমণ বাড়বে এবং সেটি চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। তখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হবে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় নিলে অফিস বন্ধ রাখার পক্ষেই আমার অবস্থান। তবে একান্তভাবে সেটি সম্ভব না হলে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি বলেন, সবকিছু খুলে দিয়ে কাঁচাবাজার, অফিস-আদালত, গণপরিবহন কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে, সে সম্পর্কিত নির্দেশনা দিতে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক সমকালকে বলেন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু খুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বিজ্ঞানসম্মত নয়। একইভাবে এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শের পরিপন্থি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, সংক্রমণ কমলে পরিকল্পনা করে ধাপে ধাপে লকডাউন তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। কিন্তু সর্বোচ্চ সংক্রমণের সময় হঠাৎ সবকিছু চালু করার সিদ্ধান্ত হলো। এতে করে আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়বে। সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ওপর যে চাপ পড়বে, তা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশের নেই।
করোনা সংক্রমিত অন্যান্য দেশে লকডাউন তুলে নেওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে ডা. মোজাহেরুল হক আরও বলেন, সর্বোচ্চ সংক্রমিত দেশগুলোর অবস্থা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ার পর তারা ধাপে ধাপে লকডাউন শিথিল করেছে। কার্যকর লকডাউনের মাধ্যমে শ্রীলংকা ও নেপাল করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। আমরা কিন্তু তা পারিনি। শুরু থেকেই ছিল চরম অব্যবস্থাপনা। প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার ১৮ দিন পর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ছুটি পেয়ে মানুষ গ্রামে চলে গেল। আমরা তাদের নির্দিষ্ট স্থানে আটকে রাখতে পারিনি। ঢাকা থেকে যাওয়া ওইসব মানুষের মাধ্যমে রোগটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ল। আবার গার্মেন্ট মালিকরা ছুটি বাতিল করে শ্রমিকদের নিয়ে আসলেন। আবার সিদ্ধান্ত বাতিল করে তাদের ফেরত পাঠানো হলো। ঈদের আগে সীমিত পরিসরে দোকানপাট খুলে দেওয়া হলো। হাজার হাজার মানুষ গ্রামে গেলেন। এখন আবার তারা দলবেঁধে ঢাকায় ফিরছেন। এসব সমন্বয়হীনতার কারণে কার্যকর লকডাউন করা যায়নি। এখন সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সুতরাং সংক্রমণ কোন মাত্রায় ছড়াবে কিংবা কখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে, তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পারসন ও অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান খান বলেন, বিশ্বের সম্পদশালী ও উন্নত রাষ্ট্রগুলোও লকডাউন তুলে নিচ্ছে। বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে বাংলাদেশের মতো একটি দেশে মাসের পর মাস লকডাউন দিয়ে রাখা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীও জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১৫ দিন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
৬ দিনে আক্রান্ত ১০১১৬ জন ও মৃত্যু ১২৭ জন : গত শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ঈদের ছুটির কারণে সংবাদপত্রের প্রকাশনা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সংবাদপত্রের প্রকাশনা কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। এ হিসাবে গত ছয় দিনে দেশে ১০ হাজার ১১৬ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১২৭ জনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৩২১ জনে পৌঁছাল। একই সঙ্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫৯ জনে দাঁড়াল।
আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত শনিবার চব্বিশ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮৭৩ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ২০ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা ৪৫২ জন হয়। রোববার চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫৩২ জন এবং মৃত্যু হয় ২৮ জনের। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর এ পর্যন্ত একদিনে সেটিই সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। সোমবার চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৯৭৫ জন আক্রান্ত হয়। মৃত্যু হয় ২১ জনের। ওই দিন মৃতের সংখ্যা পাঁচশ' ছাড়ায়। মঙ্গলবার নতুন করে ১ হাজার ১৬৬ জন আক্রান্ত হয়। ওই দিন আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়। মৃতের সংখ্যা পৌঁছায় ৫২২ জনে। বুধবার ১ হাজার ৫৪১ জন আক্রান্ত ও ২২ জনের মৃত্যু হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও ২ হাজার ২৯ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত একদিনে এটিই আক্রান্তের সর্বোচ্চ সংখ্যা। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৩২১ জনে পৌঁছাল। গত চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ১৫ জনের। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৫৯ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৫০০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৪২৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন।
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ভার্চুয়াল বুলেটিনে গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর শনাক্তের তুলনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৯ শতাংশ।
মৃত ১৫ জনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, মৃতদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ এবং চার জন নারী। তাদের মধ্যে ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দু'জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দু'জন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে সাতজন ঢাকা এবং আটজন চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা। ঢাকা বিভাগের সাতজনের মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ছয়জন, নারায়ণগঞ্জে একজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের আটজনের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে দু'জন, চট্টগ্রাম জেলায় দু'জন, কক্সবাজারে দু'জন এবং দু'জন কুমিল্লার বাসিন্দা।
চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরে ডা. নাসিমা বলেন, দেশে মোট ১৩ হাজার ২৮৪টি আইসোলেশন শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় সাত হাজার ২৫০টি এবং দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ছয় হাজার ৩৪টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব হাসপাতালে আইসিইউর সংখ্যা ৩৯৯টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট ১০৬টি।



আরও পড়ুন

×