১২ দফা দাবিতে দ্বিতীয়দিনের মতো পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ -সমকাল
পাবনা অফিস
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০১৯ | ০৪:২৮ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০১৯ | ০৪:৩৪
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৪ দফা থেকে ১২ দফা দাবিতে দ্বিতীয়দিনের মতো আন্দোলনে নেমেছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।
মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভিসি প্রফেসর ড. এম রোস্তম আলীর সঙ্গে দেখা করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া উপাচার্যের সঙ্গে নিয়োগপ্রার্থী এক যুবকের অডিও বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন, তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার, প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ, রিজেন্ট বোর্ডে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি রাখা, ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য গবেষণা বরাদ্দ, খেলার মাঠ উপযোগী ও শহীদ মিনার নির্মাণসহ ১২ দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
একইদিন ইটিই বিভাগকে ট্রিপল-ই বিভাগে রুপান্তরের দাবিতে বিক্ষোভ করছে ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, দুই মাস ধরে তারা এই দাবি জানিয়ে আসলেও তা বাস্তবায়ন করছে না বি্শ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, আট লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে চাকুরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক প্রার্থীকে নিয়োগ না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপাচার্য এম রোস্তম আলীর বিরুদ্ধে। ঘুষ ফেরত চেয়ে ওই প্রার্থীর সঙ্গে উপাচার্যের কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে প্রশাসন। ভিসির ঘুষ গ্রহণের অডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইয়াহিয়া ব্যাপারী আকাশ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের প্রভাষক কমরুল হাসান কনক এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কামাল হোসেন তাদের ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে স্ট্যাটাস দেন। এ কারণে তাদের শোকজ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষকদের বিরুদ্ধে করা সেই শোকজ প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে সোমবার থেকে আন্দোলন শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এম রোস্তম আলী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।