ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পানাম নগরী ঘুরে গেলেন আর্কএশিয়ার সদস্যরা

পানাম নগরী ঘুরে গেলেন আর্কএশিয়ার সদস্যরা
×

আর্কএশিয়ার সদস্যরা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০১৯ | ০৪:৩৪

নিস্তব্ধ পানাম নগরী। অথচ অব্যক্ত ইতিহাস যেন জড়িয়ে আছে নগরীর প্রতিটি স্থাপত্যে। পথের দুধারে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ধসে যাওয়া ভবন আর কাঠামো জানিয়ে দেয় এ নগরের হারানো জৌলুসের কথা। সোমবার রাতে মৃত এ নগরী আলো ঝলমল হয়ে উঠেছিল শত মানুষের আগমনে। 

এশিয়ার ২১টি দেশের স্থপতি পেশাজীবীদের জাতীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত দি আকিটেক্টস রিজিওনাল কাউন্সিল এশিয়া (আর্কএশিয়া) থেকে প্রায় কয়েকশ স্থপতি এসেছিলেন পানাম নগরীতে। বাঙালির সংস্কৃতি জানার পাশাপাশি স্থপতিরা এদিন পানাম নগরী সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করেন। তারা মুগ্ধ হন এ নগরীর নির্মাণশৈলী দেখে।

পানাম নগরী সম্পর্কে : 

পানাম নগরীর ভিতরে আর্কএশিয়ার সদস্যরা

প্রায় ৪৫০ বছর আগে পানাম নগরী কতটা সমৃদ্ধ ছিল, তা বারবার ভাবতে বাধ্য করে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুই-তিনতলা ভবনগুলো। পানাম নগরের পথে হাঁটতে হাঁটতে ঈশা খাঁর আমলের কথা মনে পড়ে যেতে পারে দর্শনার্থীদের। কেমন যেন একটা রহস্য জড়িয়ে আছে পুরো জায়গা জুড়ে। প্রতিটি ধ্বংসস্তূপে জড়িয়ে আছে একেকটা কাহিনি। 

বর্তমানে পানাম নগরীতে যাওয়ার একটাই পাকা রাস্তা রয়েছে। ৬০০ মিটার দীর্ঘ আর ৫ মিটার প্রস্থ এ রাস্তার দুপাশে সব মিলিয়ে  ভবন রয়েছে ৫২টি।  ঐতিহাসিকদের মতে, ভবনগুলোয় স্থানীয় নির্মাণ শিল্পের ছোঁয়া থাকলেও মূলত ইউরোপীয় ও মোঘল স্থাপত্য রীতির মিশ্রণে এগুলো নির্মিত হয়েছিল। এখানকার বেশিরভাগ ভবনের উচ্চতাই একতলা থেকে তিনতলা পর্যন্ত । বিভিন্ন আকৃতির ইট আর সুরকি দিয়ে তৈরি ভবনের দেয়ালগুলো বেশ প্রশস্ত।  কিছু কিছু ভবনের দেয়ালে অলংকরণের জন্য নানা ধরনের নকশা, রঙিন কাচ, পাথর, কড়ি, চিনামাটি, টেরাকোটা ব্যবহার করা হয়েছে। অধিকাংশ ভবনের মেঝে ধ্বংস হয়ে গেলেও কয়েকটি এখনও টিকে আছে। বেশিরভাগই মেঝেই লাল-সাদা-কালো মোজাইক করা । কয়েকটিতে আবার সাদা-কালো মার্বেলে ঢাকা।

ইতিহাসবিদ জেমস টেলরের মতে, আড়ংয়ের তাঁতখানা সোনারগাঁর পানাম নামক স্থানে ছিল । এছাড়া মসলিন শিল্প কেনাবেচার প্রসিদ্ধ এক বাজারও ছিল এ নগরীতে। 

আরও পড়ুন

×