ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

কর্মশালায় সংশ্লিষ্টরা

উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে ঘাটতি, টেকসই অর্থায়নের আহ্বান

উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে ঘাটতি, টেকসই অর্থায়নের আহ্বান
×

সেমিনারে বক্তারা। ছবি-সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৮:২৫

দেশে উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য অসংক্রামক রোগের (এনসিডি) প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। অন্য দিকে অর্থ সংকটে কমিউনিটি ক্লিনিকে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে টেকসই অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বুধবার রাজধানীর বিএমএ ভবনে ‘উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: অগ্রগতি, বাধা ও করণীয়’ শীর্ষক এক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব তথ্য উঠে আসে। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) কর্মশালাটির আয়োজন করে।

কর্মশালায় জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে হৃদরোগে মারা গেছেন প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার মানুষ। এর মধ্যে ৫২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, টেকসই অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে এই রোগসহ উচ্চ রক্তচাপজনিত অন্যান্য অসংক্রামক রোগ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

কর্মশালায় আরও জানানো হয়, বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ৪ দশমিক ২ শতাংশ অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যয় করা হয়। অপর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের কারণে কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনসিডি কর্নারগুলোতে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে চাহিদা থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ে বিনা মূল্যে এসব ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. গীতা রানী দেবী বলেন,উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, শিগগিরই সব কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এই সুবিধার আওতায় আসবে।

ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সচেতন করতে তথ্যভিত্তিক ও গভীর প্রতিবেদন প্রকাশে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিএইচএআই বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস ও প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। এ ছাড়া বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা দেন প্রজ্ঞার প্রোগ্রাম কর্মকর্তা সামিহা বিনতে কামাল।

আরও পড়ুন

×