প্রকল্পের ২০ শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রেও নানা অনিয়ম
দেলওয়ার হোসেন
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬ | ১১:১০
সরকারি ৪৩টি দিবাযত্ন কেন্দ্রে সেবা সংকটের মধ্যে পৃথক প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে আরও ২০টি কেন্দ্র চালু করে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর। তবে গত বছর প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে দেরি করায় আট মাস শিশুখাদ্যসহ অন্যান্য সামগ্রী কেনার বরাদ্দ বন্ধ আছে। সেবাকর্মীরাও বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৮৫ জন কীভাবে আট মাসের বেতন পাবেন, তাও
পরিষ্কার নয়।
সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন নির্দেশিকা-২০২২ অনুযায়ী, প্রকল্পের মেয়াদ শেষের তিন মাস আগে সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠাতে হয়। কিন্তু এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষের চার মাস পর প্রস্তাব পাঠানো হয়। এটি পরিকল্পনা শৃঙ্খলার সুস্পষ্ট ব্যত্যয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষে সাড়ে ৫ মাস পর আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (আরডিপিপি) প্রকল্পের মেয়াদ শেষে কার্যক্রম রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরের কথা উল্লেখ থাকলেও যথাসময়ে তার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ জন্য আউটসোর্সিং জনবলের সেবা গ্রহণের বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) শবনম মোস্তারী সমকালকে বলেন, প্রকল্প রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরের প্রস্তাব দুই বছর আগে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। মন্ত্রণালয় কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এ জন্য এবার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিতে দেরি হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মমতাজ আহমেদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ গত সোমবার বাতিল হয়। তার আগে তিনি সমকালকে বলেন, ‘আমি প্রকল্প-সংশ্লিষ্টদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছি। তারা বলেছেন, প্রকল্প শেষে প্রতিবার এভাবে বরাদ্দ বন্ধ থাকে। বকেয়া বরাদ্দ দিলে ঠিক হয়ে যায়।’
প্রকল্পটি শুরু হয় ২০১৬ সালে। তবে দিবাযত্ন কেন্দ্রের সেবা কার্যক্রম শুরু হয় দুই বছর পর। এর মধ্যে করোনাকালে প্রায় তিন বছর কেন্দ্রগুলো বন্ধ ছিল। এই ২০টি দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পে সরকারের ব্যয় হয়েছে ৮৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। রাজধানী ঢাকায় রয়েছে ১১টি এবং ৯টি কেন্দ্র রয়েছে জেলা পর্যায়ে। প্রতি কেন্দ্রে ৬০ জন করে মোট এক হাজার ২০০ শিশুর সেবা নেওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু শিশু উপস্থিতি কম হওয়ায় সেবা পাচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ শিশু।
কেন্দ্রগুলোতে সরকারিভাবে শিশুদের তিনবেলা খাবার দেওয়া হয়। শিশুদের কাছ থেকে মাসিক নেওয়া হয় এক থেকে দুই হাজার টাকা। বাবা-মায়ের মাসিক আয় ৫০ হাজার টাকার কম হলে এই অর্থ আরও কম দেওয়ার সুযোগ আছে।
আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগে অনিয়ম
আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা-২০২৫-এর ৭-এর খ ধারায় বলা হয়েছে, সেবা ক্রয়কারীর সঙ্গে সেবা সরবরাহকারীর চুক্তি সম্পাদন এবং সেবা ক্রয়কারী-সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সেবাকর্মীর সম্পর্ক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস দ্বারা নির্ধারিত হবে। তবে প্রকল্প পরিচালক শবনম মোস্তারী চতুর্থ শ্রেণির ১৮৫ জন কর্মীকে নিজ উদ্যোগে নিয়োগ দেন। ডে-কেয়ারের কর্মচারীদের পদায়ন করেছেন মন্ত্রণালয়ে। এর মধ্যে প্রকল্প কার্যালয়ে আছেন দুজন চালক, দুজন অফিস সহায়ক, একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে আছেন ৪০ জন বাবুর্চি, ৮০ জন আয়া, ৪০ জন নিরাপত্তা প্রহরী, ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী।
তবে পিডি সমকালকে বলেন, আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ ও বেতন-ভাতা দেওয়ার বিষয়ে অর্থ বিভাগের অনুমতি আছে।
অর্থ বিভাগের সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার সমকালকে বলেন, প্রকল্প পরিচালকের দরপত্র ছাড়া আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ঠিকাদারের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ দিতে হবে। আইন অনুযায়ী জনবল নিয়োগ না করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিরীক্ষায় ধরা পড়বেন।
শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র প্রকল্প ছাড়ছেন না শবনম মোস্তারী
শবনম মোস্তারী উপসচিব পদে থাকা অবস্থায় ২০১৮ সালে এ প্রকল্পের পিডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর তিনি যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। এখনও এই প্রকল্পেই আছেন তিনি।
গত বছরের ১০ আগস্ট তাঁকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে বদলি করা হয়। তিনি যোগদান করেননি। ১৮ আগস্ট মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। এখন মন্ত্রণালয়ের শিশু ও সমন্বয় অনুবিভাগের দায়িত্ব নিয়ে দিবাযত্ন কেন্দ্রের পিডির অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। শবনম মোস্তারী বলেন, ‘শিশুরা যেন সেবা পায়, প্রকল্পটা যেন ধ্বংস হয়ে না যায়, তাই এখানে আছি।’
আয়কর ও শিশুসেবার ২ কোটি ৭১ লাখ টাকার গরমিল
সামাজিক নিরাপত্তা নিরীক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অধিক মূল্যে কেন্দ্রের খাদ্য ক্রয়ের বিল পরিশোধ করায় ১৬টি নিরীক্ষা আপত্তি উঠেছে। এর মধ্যে সাতটি গুরুতর। আয়কর আইনের ৮৯ ধারা অনুযায়ী, ঠিকাদারকে বিল পরিশোধের সময় আয়কর কেটে রাখতে হয়। তা না করায় ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরের শিশুসেবার ২ কোটি ৬১ লাখ পাঁচ হাজার টাকা মাসিক ফি অনাদায়ি দেখানো হয়েছে। এ নিয়েও নিরীক্ষা আপত্তি আছে।
২০টি শিশুকেন্দ্রের টেলিভিশন, ফ্রিজ, ওভেন ও আইপিএস কোন ব্র্যান্ড, টেলিভিশন কত ইঞ্চি– তা কার্যাদেশ, বিল এবং চালানে উল্লেখ করা হয়নি। ঠিকাদারের মাধ্যমে মালামাল সরবরাহের আগে ডে-কেয়ার কর্মকর্তাদের কাছে কার্যাদেশের বা চালানের কপি সরবরাহ করা হয়নি। ফলে তারা মালামালের সঠিক পরিমাণ ও গুণগত মান বুঝে নিতে পারেননি।
প্রকল্পের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) ও প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির (পিএসসি) অনুমোদন ছাড়া ডিপিপিবহির্ভূত পণ্য ক্রয় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিতে ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে নোটে হিসাবরক্ষক এবং প্রকল্প পরিচালক ছাড়া কারও স্বাক্ষর নেই। পিআইসি ও পিএসসি কমিটি পরিকল্পনা বিভাগের নির্ধারিত নিয়মে গঠন করা হয়নি।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সচিবের রুটিন দায়িত্ব) কাজী গোলাম তৌসিফ গত শনিবার সমকালকে বলেন, দিবাযত্ন কেন্দ্রের বিল পরিশোধের সময় কেন আয়কর কর্তন করা হয়নি এবং শিশুসেবার মাসিক ফি অনাদায়ি রয়েছে–তা পিডির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি জবাব দিলে এ বিষয়ে বলতে পারব।
মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আজও (রোববার) ভূমি ভবনের দিবাযত্ন কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছি। আগে কী হয়েছে, সেটি বলতে পারব না। এখন জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। কারণ, কিছুদিন পর তাদের কাছে ভোট চাইতে হবে।’
পানি ভবন শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের মা আসমা আক্তার বলেন, ‘এই কেন্দ্রে এক সন্তান বড় হয়েছে। দ্বিতীয় সন্তানও এখানে রাখছি। আমি নিয়মিত শিশুসেবার ফি পরিশোধ করেছি। তবে এখানে শিশু উপস্থিতির তুলনায় যত্নকারীর সংখ্যা কম। শিশুর সংখ্যা অনুপাতে যত্নকারীর সংখ্যা বাড়ানো উচিত। এ ছাড়া শিক্ষক কম।’
প্রকল্প পরিচালক জানান, বিভিন্ন দেশের দিবাযত্ন কেন্দ্রের মডেল দেখে এই কেন্দ্রগুলো স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলো স্থাপন করা হয়েছে তিন থেকে চার হাজার বর্গফুট আয়তনে। রাজধানীর কেন্দ্রগুলোর প্রায় চার হাজার বর্গফুট আয়তনের একই ফ্লোরে ঘুম, ব্রেস্টফিডিং, ড্রামাটিক, মিউজিক, ব্লক, ক্রিয়েটিভ আর্ট, প্লে, ন্যাচারাল, ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিস, লাইব্রেরি, বিনোদন কর্নার আছে।
শিশু উপস্থিতি কম, তবু অপেক্ষমাণ তালিকা
ঢাকার ১১টি কেন্দ্রে প্রতিদিন শিশু উপস্থিত হয় গড়ে ৪০ জন করে। ঢাকার বাইরের ৯টি কেন্দ্রে উপস্থিতি সংখ্যা আরও কম। কিন্তু নতুন শিশু ভর্তি নেওয়া হয় না। অভিভাবকরা দীর্ঘ অপেক্ষমাণ তালিকায় আটকে আছেন।
হাজিরা খাতা দেখে জানা যায়, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারি কর্ম কমিশন দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশু উপস্থিত ছিল ৩৭ জন। ৬০ জন রাখার ব্যবস্থা থাকলেও এদিন ভর্তির জন্য অপেক্ষমাণ ছিল ৪৫০ শিশু।
জাতীয় গ্রন্থাগার দিবাযত্ন কেন্দ্রে ৯ ডিসেম্বর ২৯, ৮ ডিসেম্বর ২৬ শিশু উপস্থিত ছিল। এসময় এখানে অপেক্ষমাণ ছিল ১৬৭ শিশু।
সমবায় অধিদপ্তর শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে উপস্থিত ছিল ৮ ডিসেম্বর ২৯, ৯ ডিসেম্বর ২৮ জন। এখানে ১৮০ জন অপেক্ষমাণ আছে। আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনে রাজস্ব খাতের আরও একটি দিবাযত্ন কেন্দ্র আছে।
লালমাটিয়া দিবাযত্ন কেন্দ্রে ৪ ডিসেম্বর শিশু উপস্থিত ছিল ৩৪ জন। এ কেন্দ্রেও ওই ১৫০ শিশু অপেক্ষমাণ ছিল। এখানে একই ভবনে রাজস্ব খাতের একটি কেন্দ্র আছে। রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবন দিবাযত্ন কেন্দ্রে গত ২৮ জানুয়ারি শিশু উপস্থিত ছিল ৩২ জন। অপেক্ষমাণ ছিল প্রায় ১৮৫ শিশু।
কর্মজীবী মা পারুল আক্তার বলেন, কর্মজীবী পরিবার নিয়ে সমীক্ষা করা ছাড়া পাশাপাশি এলাকায় সাতটি কেন্দ্র স্থাপন করায় শিশু উপস্থিতি কম হয়।
সংস্কৃতি কলেজের কর্মকর্তা ও পিএসসি কেন্দ্রের এক মা বলেন, মাঝেমধ্যে দিবাযত্ন থেকে হঠাৎ করে জানানো হয়, শিশুদের খাবার সরবরাহ করা হবে না। এটা মাঝে মাঝে বিপদে ফেলে দেয়। তখন খাবার নিয়ে কেন্দ্রে ছুটতে হয়।
খাদ্য সরবরাহে অনিয়ম
দীর্ঘ আট মাস শিশু খাদ্যের বরাদ্দ ও দিবাযত্ন কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন বন্ধ আছে। এ জন্য শিশুরা অযত্নের শিকার হচ্ছে। আইন অনুয়ায়ী কেন্দ্রের শিশুদের খাদ্য সরবরাহ করবেন একজন ঠিকাদার। কিন্তু গত বছরের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে ২০টি কেন্দ্রে কোনো ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়নি।
বর্তমান খাদ্য সরবরাহকারী মুরাদ হোসেন বলেন, ‘পিডি ও মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মৌখিকভাবে আমাকে ১৫টি কেন্দ্রে খাবার সরবরাহ করতে বলেছেন। তবে কোনো কার্যাদেশ হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি হলে খাবার টাকা পরিশোধ করবে।’
আগের এক ঠিকাদার কাজী সোহরাব হোসেনের কাছ থেকে একই প্রক্রিয়ায় পাঁচটি কেন্দ্রে খাবার নেওয়া হয়।
পানি ভবন দিবাযত্ন কেন্দ্রের ডে কেয়ার কর্মকর্তা আলেয়া সুলতানা সমকালকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন টানাপোড়নের মধ্যে আছি। আট মাসের বেতন পাইনি। চার মাস পর আবার প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।’
একজনের ডিম খায় চার শিশু
প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৩ সালেও শিশু খাদ্য বরাদ্দ বন্ধ ছিল আট মাস। তখন সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) দিবাযত্ন কেন্দ্রে চার শিশুকে একটি ডিম ভাগ করে খাওয়ানো হয়। অথচ প্রতিটি শিশুর জন্য বরাদ্দ ছিল একটি করে ডিম।
পিডি শবনম মোস্তারী বলেন, ‘একটা প্রকল্পে আট মাস বরাদ্দ নেই। এরপরও চালাতে পারছি– এটাই অনেক বড় বিষয়।’
[ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দুর্নীতিবিষয়ক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ফেলোশিপ-২০২৫ এর আওতায় প্রতিবেদনটি করা হয়েছে]
- বিষয় :
- সরকারি প্রণোদনা