ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

হামের প্রকৃত চিত্র ও টিকার হিসাব চাইলেন রুমিন

হামের প্রকৃত চিত্র ও টিকার হিসাব চাইলেন রুমিন
×

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:২৮

| প্রিন্ট সংস্করণ

হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু, টিকার ঘাটতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের বকেয়া বেতন এবং মাঠপর্যায়ের সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে সংসদে সমালোচনায় সরব হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানা। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে হামের প্রকৃত চিত্র ও টিকার হিসাব চেয়েছেন তিনি।

এ সংসদ সদস্য বলেন, করোনা-পরবর্তী সময়ে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে তৈরি হওয়া গ্যাপ, টিকা পরিবহনকারীদের ৯ মাসের বকেয়া, বিভিন্ন জেলায় জনবল সংকট এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সংক্রমণ বাড়ার কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ভ্যাকসিন ঘাটতি ছিল ঠিকই, তবে সরকার তা সামাল দিয়েছে; মজুদ এখন স্থিতিশীল এবং জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
গতকাল বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশে রুমিন ফারহানা এসব বক্তব্য দেন। 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৫ এপ্রিল থেকে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, এডিবির অব্যবহৃত ৬০৪ কোটি টাকা পুনর্বিন্যাস করে নতুন টিকা সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই সারা দেশে কর্মসূচি চালু করা হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর মতে একটি জনপদে হামের মহামারি রুখতে হলে ৯৫ শতাংশের বেশি শিশুকে দুই ডোজ টিকা দিতে হয়। রুমিন ফারহানা বলেন, বিশ্বজুড়ে হামের সংক্রমণ ৭৯ শতাংশ বেড়েছে এবং বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়ছে। 

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এই উদ্বেগের অনেকটাই যৌক্তিক, তবে সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্য খাতে কর্মীসংকট থাকলেও মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি চালানোর মতো সক্ষমতা রাখা হয়েছে। সরকার নতুন করে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের দিকেও যাচ্ছে।
সংসদে টিকা বিরণের হিসাবও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, উচ্চ সংক্রমণ এলাকাগুলোতে সর্বশেষ ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ডোজ বিতরণ করা হয়েছে।  আর হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের জন্য গ্যাভির মাধ্যমে সরকার প্রায় ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা পেয়েছে।
 

আরও পড়ুন

×