কেআইবি ও এ্যাব নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ্যাব নেতারা। ছবি-সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ০০:১৭
কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) ও এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত অভিযোগকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে এ্যাব। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি ও সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্নের চেষ্টা করা হচ্ছে।
রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন এ্যাব নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের আহ্বায়ক ড. কামরুজ্জামান কায়সার বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ্যাবের সদস্যসচিবসহ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে কেআইবির তহবিল থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চার লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে। অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেন তিনি।
ড. কামরুজ্জামান কায়সার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কেআইবি ভবনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দায়িত্বশীল কৃষিবিদদের তত্ত্বাবধানে কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর বকেয়া বিল পরিশোধের অংশ হিসেবে ওই অর্থ ঠিকাদার ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হয়। এখানে কোনো অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেনি।
এ্যাবের সদস্যসচিব শাহাদত হোসেন বিপ্লব লিখিত বক্তব্যে করেন, কেআইবির হিসাব বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক দিলিপ কুমার সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করা হয়। পরে সেই ভিডিওর অংশবিশেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। পরে দিলিপ কুমার সরকার আরেকটি ভিডিও বার্তায় তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয়নি বলে উল্লেখ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত দিলিপ কুমার সরকার বলেন, তাঁর ভিডিওর নির্বাচিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আইন মেনেই সব কাজ করা হয়েছে।
এ্যাবের আহ্বায়ক ড. কামরুজ্জামান কায়সার আরও বলেন, বিষয়টি সামনে আসার পর প্রবীণ কৃষিবিদদের উদ্যোগে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনার পর ঘটনাটি ভুল–বোঝাবুঝি ও তথ্যের অপব্যাখ্যা থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়। পরে বিষয়টির নিষ্পত্তিও হয়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন আগে নিষ্পত্তি হওয়া একটি বিষয়কে নতুন করে সামনে এনে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের সদস্য শাহাদত হোসেন চঞ্চল, প্রফেসর ড. জামশেদ আলম, নুরুন্নবী শ্যামল এবং হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা দিলিপ কুমার সরকার উপস্থিত ছিলেন।
- বিষয় :
- সংবাদ সম্মেলন
