ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

আইনশৃঙ্খলায় উন্নতির দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, তবে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে

আইনশৃঙ্খলায় উন্নতির দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, তবে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে
×

ছবি-সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬ | ২১:২৭

অতীতের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে ধর্ষণের মামলা অতীতের চেয়ে ‘একটু বেশি’ হয়েছে উল্লেখ করে এর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে ধর্ষণের ভুক্তভোগীরা মামলা করতে থানায় যেত না বা যেতে পারত না। এখন থানায় গেলেই মামলা রেকর্ড করা হয়। অনলাইনে জিডি, এফআইআর দায়ের করতে পারে। এখানে কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি মঞ্জুরি ও ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

সালাহউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকা মঞ্জুরি দাবি করেন। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) রুমিন ফারহানা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজের সমালোচনা করে বরাদ্দ কমিয়ে ১ টাকা করার প্রস্তাব দেন। গত মার্চ ও এপ্রিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পুরো বাজেটের সবটাই যদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেওয়া হয়, তার পরও কতটুকু উন্নয়ন হবে জানি না। তার পরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বক্তব্য দেন সারাদেশ মুগ্ধ হয়ে শোনে। আইনের শিক্ষার্থী আমিও মুগ্ধ হয়ে শুনি। কিন্তু এই মুগ্ধতা যদি উনি মন্ত্রণালয়ে ছড়িয়ে দিতে পারতেন কাজের মাধ্যমে, তাহলে এটি ছাঁটাই করে এক টাকা করার প্রস্তাব রাখতাম না।’

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগেও তিনি সংসদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়টি ডেটাসহ তুলে ধরেছেন। খুনের চিত্র, ধর্ষণের চিত্র, নারী ও শিশু নির্যাতনের চিত্র, ডাকাতির সংখ্যা মাসওয়ারি দিয়েছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্বে আসার পর থেকে এই পর্যন্ত সব পরিসংখ্যানে ঐতিহাসিকভাবে এগিয়ে আছি, উন্নত আছি। ধর্ষণের মামলার সংখ্যায় একটু বেশি পেয়েছি। এর একটা কারণ আছে। আগে ধর্ষিতারা থানায় যেত না বা যেতে পারত না সামাজিক বা রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপে। এখন কোনো হস্তক্ষেপ নেই। তাই মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।’ 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখন ধর্ষণ যেখানেই হোক, শিশু হোক, নারী হোক, তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তারসহ অভিযোগপত্র দেওয়া এবং মামলায় সহযোগিতা করতে সাক্ষী উপস্থাপনসহ বৈপ্লবিক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছি। যার জন্য পল্লবীর আট বছরের শিশু হত্যার বিচার হয়েছে ১৭ দিনে। কুমিল্লার তনু হত্যার আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’ 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করছে না। অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করছে। 

আরও পড়ুন

×