ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা

অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
×

ফাইল ছবি

আদালত প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬ | ১৭:৫২

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা ওয়ারী থানার এক মামলায় আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের ৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক নূরে আলম ভূঞা এ রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আট আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফজলুল রহমান।

খালাস পাওয়া আট আসামি হলেন সাইফুল ইসলাম, তুহিন মুন্সী, নবীর হোসেন শিকদার, জয়গোপাল সরকার, পাভেল রহমান, শহিদুল হক ভূইয়া, রশিদুল হক ভূইয়া ও মেরাজুল হক ভূইয়া শিপলু।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার গেণ্ডারিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়ার পুরান ঢাকার লালমোহন সাহা স্ট্রিটের মমতাজ ভিলায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি সিন্দুক থেকে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমান সম্পদ উদ্ধার করে র‍্যাব। তাদের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় র‍্যাব-৩ এর নায়েব সুবেদার রমজান আলী ওয়ারী থানায় এ মামলা দায়ের করেছিলেন। ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের শেয়ারহোল্ডার এনু গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তার ভাই রুপন ছিলেন থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ আগস্ট এনামুল হক এনু, রুপন ভূঁইয়াসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিচার চলাকালে ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

এর আগে, ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে করা আরেক মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর তৎকালীন বিচারক মাসুদ পারভেজ এনু ও রুপনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন। ওই মামলায় তাদের ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন

×