ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

তিন স্থানে পানিতে ডুবে মারা গেল সাত শিশু

তিন স্থানে পানিতে ডুবে  মারা গেল সাত শিশু
×

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬ | ০৯:৩১

| প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের তিন স্থানে গতকাল বৃহস্পতিবার পানিতে ডুবে সাত শিশু মারা গেছে। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় নদীতে গোসলে নেমে মারা গেছে চারজন। ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে দুই ভাই-বোনের। হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় পুকুরে ডুবে এক শিশু মারা গেছে।

নরসিংদী প্রতিনিধি জানান, গতকাল দুপুরে উপজেলার বড়কান্দা এলাকায় গোসল করতে কাকন নদীতে নেমে প্রাণ হারিয়েছে চার শিশু। তারা হলো–বড়কান্দা গ্রামের শামীম মিয়ার মেয়ে তাবিয়া (১৩), একই এলাকার রুবেল মিয়ার মেয়ে জান্নাত ইসলাম (৮) ও আশেয়া (৯) এবং বিল্লাল মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া (১০)। তারা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মাদ্রাসা থেকে ছয়-সাত শিক্ষার্থী নদীতে গোসল করতে যায়। এ সময় একজন ডুবে গেলে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা চালাতে গিয়ে অন্য তিনজন ডুবে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এসে চার শিশুকে পানি থেকে তুলে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নদী থেকে অন্য দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। 
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সদর উপজেলায় পৈল গ্রামে পুকুরে ডুবে ইন্দ্রা দাশ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইন্দ্রা (১২) লামা পৈল গ্রামের রাজমিস্ত্রি বিজয় দাশের মেয়ে।
বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে গিয়েছিল ইন্দ্রা। দীর্ঘক্ষণ তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, নান্দাইল উপজেলার লক্ষীদিয়া গ্রামে গতকাল দুপুরে পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে দুই ভাই-বোনের। মারা যাওয়া শরীফা খাতুন (৭) ও মাহমুদুল হাসান (৫) গ্রামের শমসের আলীর সন্তান। 
দুই শিশুকে বাড়ির কাছেই বেগুন ক্ষেত দেখে আসতে পাঠিয়েছিলেন শমসের আলী। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার সময় মাহমুদুল অসাবধানতাবশত একটি পুকুরে পড়ে যায়। সে ডুবে যাচ্ছে দেখে শরীফা তাকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু সাঁতার না জানায় দুজনই তলিয়ে যায়। কাছে থাকা অন্য কয়েক শিশু বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তারা এসে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। দুই সন্তানকে হারিয়ে শমসের আলী ও তাঁর স্ত্রী মঞ্জিলা বেগম বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।

আরও পড়ুন

×