ছায়ানটে শ্রোতার আসর
যন্ত্রের তারে বাংলা গানের ঝংকার
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬ | ২২:০৯
যন্ত্রের স্বতন্ত্র সুরভঙ্গিতে বাংলা গানের বৈচিত্র্যময় ভুবনকে শ্রোতাদের সামনে আরেকবার মেলে ধরল ছায়ানটের নিয়মিত আয়োজন ‘শ্রোতার আসর’। ‘যন্ত্রসংগীতে বাংলা গান’ প্রতিপাদ্যে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার ধানমন্ডিতে ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনের রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে বসেছিল এবারের আসর।
আয়োজনের শুরুতে এস্রাজ হাতে নেন মো. আশিকুল ইসলাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তুমি কোন কাননের ফুল’, ‘আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার’ ও ‘নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে’ গানের সুর বেজে ওঠে এস্রাজের গভীর ও মায়াময় ধ্বনিতে। এরপর বেহালায় কাজী নজরুল ইসলামের গানে ভিন্ন আমেজ তৈরি করেন মাহামুদুল হাসান। তিনি পরিবেশন করেন ‘আমার গানের মালা’, ‘আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু’ এবং ‘ব্রজগোপী খেলে হোরি’।
দেশাত্মবোধক ও কালজয়ী গানের সুর নিয়ে পিয়ানো বাজিয়ে শোনান তানভীর আলম সজীব। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’, গোবিন্দ হালদারের লেখা ও সমর দাসের সুরে ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’ এবং নজরুল ইসলাম বাবুর লেখা ও আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুরে ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ পরিবেশন করেন তিনি।
এরপর দোতারার সুর বদলে দেয় আসরের আবহ। অনুপম বিশ্বাসের দোতারায় বেজে ওঠে হাছন রাজার ‘বাউলা কে বানাইলো রে’, জসীম উদ্দীনের ‘প্রাণ সখী রে ঐ শোন কদম্ব তলে’ এবং আবদুল লতিফের ‘সোনা সোনা সোনা লোকে বলে সোনা’ গানের সহজিয়া সুর। সবশেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় আয়োজনের মূল পর্ব। পুরো আয়োজনে তবলায় যন্ত্রানুষঙ্গ দেন গৌতম কুমার সরকার এবং মন্দিরায় ছিলেন প্রদীপ কুমার রায়।
- বিষয় :
- ছায়ানট