লঘুচাপের প্রভাবে বাড়তে পারে বৃষ্টি
ছবি: ফাইল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ১১:০৫ | আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ১১:৫৮
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়েছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তিশালী হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বাড়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি নদনদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
গতকাল রোববার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপটির প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাবধানে উপকূলের কাছাকাছি থেকে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
লঘুচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বাড়তে পারে। এতে নদনদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী দুই দিন চট্টগ্রাম বিভাগ ও তৎসংলগ্ন উজান এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী এক দিন দেশের অভ্যন্তর ও তৎসংলগ্ন উজান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের হালদা নদীর পানি এরই মধ্যে বাড়ছে। তবে গোমতী, মুহুরী, সিলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি কমেছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। বৃষ্টিপাতের কারণে দুই দিনে এসব নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। পাউবো জানিয়েছে, আজ সোমবার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বান্দরবান ও কক্সবাজারের কিছু এলাকায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।