ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘প্রিপেইড’ ব্যবস্থায় জামিন পাচ্ছে অপরাধীরা: র‍্যাব

শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী চুয়া সেলিমসহ গ্রেপ্তার ৩

‘প্রিপেইড’ ব্যবস্থায় জামিন পাচ্ছে অপরাধীরা: র‍্যাব
×

ফাইল ফটো

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:১৭ | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০২৬ | ০৯:৩৭

| প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সেলিম আশরাফী ওরফে চুয়া সেলিমসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-২। অপর দুজন হলেন– চাঁদ উদ্যানের কিশোর গ্যাং দলনেতা মাহী গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড জয় ও মো. রতন ওরফে বোমা রতন। গতকাল ‎শুক্রবার রাজধানীর বছিলায় র‍্যাব-২ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে র‍্যাব-২ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, ৩৬টি মামলায় অভিযুক্ত, হত্যা ও মাদকের মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি চুয়া সেলিমকে গত বৃহস্পতিবার রাতে জেনেভা ক্যাম্প থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর কাছে একটি ৭.৬৫ বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ১১০ গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন ধরে জেনেভা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় মাদক কারবার, ছিনতাই, খুন, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধের প্রধান নিয়ন্ত্রক এই চুয়া সেলিম। এর আগে গত বছরের ৮ জানুয়ারি ধানমন্ডি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব।

এক প্রশ্নের জবাবে অধিনায়ক নয়মুল হাসান বলেন, এই অপরাধীরা ‘প্রিপেইড’ ব্যবস্থায় জামিন পান। একটা গ্রুপ আছে, যারা গ্রেপ্তারের পরপরই অপরাধীদের জামিনের ব্যবস্থা করে। আর অপরাধীরা চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধ করে ওই গ্রুপের কাছে টাকা জমা দিয়ে রাখে।

নয়মুল হাসান বলেন, এগুলো নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে নিশ্চয়ই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অনেক কষ্ট করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেন। যখন সেই আসামি জামিন পেয়ে যায়, তখন কিন্তু বাহিনীর সদস্যরা একটু দিশেহারা হয়। আমরা আবার শক্তি সঞ্চয় করে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাই।

অধিনায়ক জানান, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাং মাহী গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড ১০ মামলার আসামি জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। এই গ্রুপের সদস্যারা দীর্ঘদিন মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান, চাঁদ উদ্যান, নবীনগর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিলেন। এলাকার ব্যবসায়ী, ভাড়াটিয়া ও নির্মাণকাজ সংশ্লিষ্টরা তাদের চাঁদাবাজির শিকার। এর আগে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নয়মুল হাসান জানান, একই দিনে মোহাম্মদপুরের বিজলি মহল্লায় অভিযান চালিয়ে দস্যুতা, ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্রসহ ২০ মামলার আসামি বোমা রতনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন গজনবী রোড, বছিলা ও জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও অস্ত্রধারী চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। 

আরও পড়ুন

×