ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুরের মূর্ছনায় ‘ফ্লেমিং অ্যাকোস্টিকসের’ সংগীতসন্ধ্যা

সুরের মূর্ছনায় ‘ফ্লেমিং অ্যাকোস্টিকসের’ সংগীতসন্ধ্যা
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ | ২২:২১

সুরের আবেশে সংগীতপ্রেমীদের মুগ্ধ করল ‘ফ্লেমিং অ্যাকোস্টিকস’। শনিবার ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের লা গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফ্লেমিং অ্যাকোস্টিকস: অ্যান ইভনিং অব চেম্বার মিউজিক অ্যান্ড এনসেম্বল পারফরম্যান্স’। চেম্বার মিউজিক ও এনসেম্বল পরিবেশনায় একদল প্রতিভাবান শিল্পী শ্রোতাদের উপহার দেন বৈচিত্র্যময় এক সংগীতসন্ধ্যা।

অনুষ্ঠানে বিশ্বসংগীতের ভাণ্ডার থেকে বাছাই করা বিভিন্ন সুর পরিবেশন করেন শিল্পীরা। এতে স্থান পায় ইয়োহান সেবাস্টিয়ান বাখ, লুডভিগ ভান বেটোফেন, ফিলিপ পি. ব্লিস, ফ্রেদেরিক শপাঁ, এডভার্ড এলগার, কার্লোস গার্দেল, ফের্দিনান্দ কুখলার, মরিস রাভেল, ক্যামিল সাঁ-সাঁস, রবার্ট শুমান ও আন্তোনিও ভিভালদির নির্বাচিত সংগীত।

বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে পরিবেশিত এসব সুরে লা গ্যালারির পরিবেশ হয়ে ওঠে আরও আবেশময়। চেলোয় ইফতেখার আনোয়ার, ক্লাসিক্যাল গিটারে ইশরার আল তাশুক, ফ্লুটে মো. আকাশ এবং পিয়ানোতে কৃষ্ণ লাল ও রাশিদুল হাসান শাওন অংশ নেন।

বেহালায় ছিলেন জান্নাতুল আকাম ইমু, নাহিয়ান কাব্য, সত্যজিত সরকার, সুচোরিত শুভানন রহমান, তাজিন খান প্রমি, তারান্নুম নিশাত ও উমাইজা ফাতিহা ইসলাম।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ‘ফ্লেমিং অ্যাকোস্টিকস’ নিজস্ব সংগীতধারার একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সংগীতের শিকড়কে ভিত্তি করে বিশ্বসংগীতের নানা প্রভাবকে নিজেদের চর্চায় ধারণ করছে সংগঠনটি।

দেশীয় সাংস্কৃতিক অনুভব ও বৈশ্বিক সুরের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরির এই প্রচেষ্টার প্রতিফলন দেখা যায় তাদের বিভিন্ন আয়োজনে। শনিবারের সংগীতসন্ধ্যাতেও ছিল সেই বৈচিত্র্য ও সৃজনশীলতার ছাপ।

আরও পড়ুন

×