ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হত্যা-উসকানিমূলক মামলায় কারাগারে শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল 

হত্যা-উসকানিমূলক মামলায় কারাগারে শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিক
×

শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:০২

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবুসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আজ সোমবার এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২৫ অক্টোবর এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন। 

সকালে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, ভোরের কাগজের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত ও একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান প্রতিবেদন ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গত ১৭ আগস্ট তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চায় রাষ্ট্রপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ হাজির করতে বলেন ট্রাইব্যুনাল। তিনজনকেই এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হবে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাঁকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর প্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করাই সাংবাদিকদের দায়িত্ব। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতেন কিছু নির্দিষ্ট সাংবাদিক। তারা যেসব বক্তব্য দিতেন, সেসব কোনো প্রশ্ন ছিল না। ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা। তাঁকে দিয়ে নির্দিষ্ট কথা বলানোর জন্য কিছু উসকানিমূলক প্রস্তাব। এ কারণেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

প্রসিকিউশন আরও জানায়, এটি কোনো পুরোনো মামলার অংশ নয়। নতুন করে হওয়া ‘মিস কেস’ বা বিবিধ মামলা। এ ঘটনায় ১৪ জুলাইয়ের উসকানিমূলক প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটির এখনও তদন্ত চলছে। 
 

আরও পড়ুন

×