ঢাকা সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আনুতোষিক ও উৎসব ভাতা

অবসরপ্রাপ্ত ইউপি সচিবদের বকেয়া পরিশোধের হাইকোর্টের নির্দেশ

অবসরপ্রাপ্ত ইউপি সচিবদের বকেয়া পরিশোধের হাইকোর্টের নির্দেশ
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৩:২৯

অবসরপ্রাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিবদের বকেয়া আনুতোষিক ও নিয়মিত উৎসব ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায় প্রকাশের ৬০ দিনের মধ্যে প্রাপ্য বকেয়া পরিশোধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২২ সালে জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেন।

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব।

মামলার বিবরণে জানা যায়, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. ইউসুফ ভূঁইয়াসহ ১৪৭ জন অবসরপ্রাপ্ত ইউপি সচিব বকেয়া আনুতোষিক ও বিধি অনুযায়ী নিয়মিত উৎসব ভাতা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।

রিট আবেদনকারীদের দাবি, তাদের প্রায় ২০ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে। এ মামলায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৩১ জনকে বিবাদী করা হয়।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবী জানান, ইউপি সচিবেরা অবসরে যাওয়ার সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গ্রস পেনশনের ৫০ শতাংশ সমর্পণ করে এর বিপরীতে আনুতোষিক পেয়েছেন। কিন্তু বাকি ৫০ শতাংশ সমর্পণ করা হলেও এর বিপরীতে তারা কোনো আনুতোষিক পাননি।

বিধি অনুযায়ী, গ্রস পেনশনের বাকি ৫০ শতাংশের বিপরীতে অর্ধেক হারে এককালীন আনুতোষিক পাওয়ার কথা তাদের। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই অর্থ আটকে রেখেছে বলে রিটে দাবি করা হয়।

রিটে আরও বলা হয়, ২০১১ সালের স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ইউপি সচিবেরা পরিষদের নিজস্ব কর্মচারী। বিধিমালা অনুযায়ী তাঁরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুসারে বেতন-ভাতা ও উৎসব ভাতা পাওয়ার অধিকারী।

এ ছাড়া ১৯৯৪ সালের ইউনিয়ন পরিষদ কর্মচারী (ভবিষ্যৎ তহবিল এবং আনুতোষিক) বিধিমালা অনুযায়ী ইউপি সচিবদের সরকারি কর্মচারীদের মতো পেনশন, আনুতোষিক ও উৎসব ভাতা পাওয়ার বিধান রয়েছে বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়।

আইনজীবীর দাবি, আইনে সুস্পষ্ট বিধান থাকা সত্ত্বেও অবসরপ্রাপ্ত ইউপি সচিবদের সম্পূর্ণ আনুতোষিক ও উৎসব ভাতা না দেওয়া বেআইনি, বৈষম্যমূলক ও অযৌক্তিক। এতে তাদের সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অধিকারও লঙ্ঘিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×