ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে তরুণী পাচার

ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে তরুণী পাচার
×

প্রতীকী পাচার

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৯:৫৩

ভালো চাকরি দেওয়ার কথা বলে দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিদেশে পাচারে জড়িত চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তারা হলো- মোহাম্মদ মকবুল হোসেন, পারভেজ মাহমুদ, আনোয়ার হোসেন, সাদি হাসান ও মাইনুদ্দীন ইসলাম পান্না। তাদের কাছে পাওয়া গেছে ৪৮৪টি পাসপোর্ট ও ৮৬টি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ অন্যান্য জাল কাগজপত্র।

সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার শারমিন জাহান জানান, ফতুল্লা মডেল থানার মানব পাচার প্রতিরোধ আইনের একটি মামলায় গত ২ ডিসেম্বর ফকিরাপুল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা জাল কাগজপত্র তৈরি করে গ্রামের সহজ-সরল তরুণীদের বিদেশে পাচার করে আসছিল। ওই তরুণীরা বিদেশে গিয়ে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

সিআইডি সূত্র জানায়, ১৭ বছরের এক কিশোরীকে ৩০ বছর বয়স দেখিয়ে জাল কাগজপত্রের সাহায্যে সৌদি আরবে পাঠায় ফকিরাপুলের এম.এইচ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল। সেখানে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে ওই কিশোরী দেশে ফিরে আসে। এ ঘটনায় তার খালা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় এম.এইচ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মকবুল হোসেনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও দালাল তৈয়ব পলাতক রয়েছে। পল্টন থানায় দায়ের করা মানব পাচারের আরেক মামলায় গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এ সময় তারা মানব পাচারে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এরইমধ্যে সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসা দু'জন ভুক্তভোগী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, পল্টন থানায় মামলার তদন্তে দেখা যায়, জব্দ করা পাসপোর্টের ঠিকানা ও বয়সের তথ্যে গরমিল আছে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর জাল ছিল। এ মামলার প্রধান আসামি মকবুল হোসেন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ কিশোরী-তরুণীদের যৌনকর্মী হিসেবে বিদেশে পাচার করে আসছিল।

আরও পড়ুন

×