সমকাল-এডিডি ইন্টারন্যাশনাল গোলটেবিল বৈঠক
করুণা নয়, প্রতিবন্ধীরা চায় অধিকার
সোমবার তেজগাঁওয়ে সমকাল কার্যালয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকারবিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ -সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১০:৩৫ | আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১০:৩৬
রাষ্ট্র এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হলে তাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে। তাদের সম্পর্কে ধারণা ও নীতিগত ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। এখন প্রয়োজন মাঠপর্যায়ে পরিবর্তিত ধারণা ও নীতির সঠিক প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন। প্রতিবন্ধীবান্ধব সরকার ক্ষমতায় থাকলেও তাদের নানারকম প্রতিবন্ধকতা এখনও বিদ্যমান। কিন্তু মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় করুণা নয়, তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
'প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন : মাঠপর্যায়ে কর্মঅভিজ্ঞতা ও শিখন' শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। সোমবার দৈনিক সমকাল কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সমকাল ও অ্যাকশন অন ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এডিডি) ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ যৌথভাবে এর আয়োজন করে।
বৈঠকের শুরুতে বক্তব্য দেন সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। তিনি বলেন, জরিপ বলছে দেশে এক কোটি ৩০ লাখ প্রতিবন্ধী আছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নিবন্ধনের আওতায় এসেছে মাত্র ১৭ লাখ। প্রতিবন্ধীবান্ধব সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও তাদের সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। সরকার অনেক নীতি নিয়েছে। মাঠপর্যায়ে সেসব পৌঁছানোর গতি কম।
তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীরা আসলে করুণা নয়, অধিকার চায়। মূল থেকেই তাদের কথা শুনতে হবে। তাদের প্রত্যাশার আলোকেই তাদের জাতীয় কর্মযজ্ঞে যুক্ত করতে হবে। সরকার, উন্নয়ন সংস্থা বা মিডিয়া এক্ষেত্রে আলাদা কিছু নয়। আমরা সবাই মিলেই এ দেশে একটি প্রতিবন্ধীবান্ধব সমাজ গড়ে তুলব। সবাই বিষয়টি হৃদয় থেকে অনুধাবন করলে সমস্যার সমাধান অবশ্যই সম্ভব।
স্বাগত বক্তব্যে এডিডি ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত সনদ, জাতীয় আইন এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- এই তিনটি বিষয়কে সমন্বয় করে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। জাতীয় কর্মপরিকল্পনা হয়েছে, কিন্তু সেটি সর্বস্তরে পৌঁছায়নি। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কীভাবে সুযোগ কাজে লাগানো যায়, সেটি নিয়ে ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, এ ধরনের সভা-সেমিনারের ফলে স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিবন্ধীরা জাতীয় পর্যায়ে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারেন। অনেকে আইনের রেফারেন্স দিয়েও কথা বলেন। বিষয়গুলো সার্বিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের মানসিকতা যেন সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে।
প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল। তিনি বলেন, সমস্যার সমাধানে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিরা সময় দিতে পারেন না। ইউনিয়ন তো দূরের কথা, উপজেলা পর্যায়েই আমরা সক্রিয় হতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে মাঠপর্যায়ের কমিটিগুলো তৎপর নয়। কমিটিগুলো এখনও একটি সভাও করতে পারেনি। এখনও অনেক প্রতিবন্ধী হিসাবের বাইরে রয়েছেন। একটা অংশ সুবর্ণ কার্ড পেয়েছেন, কিন্তু অনেকেই পাননি। অনেকেই এখনও ভাতার আওতায় আসেননি। এ বিষয়গুলো নিয়ে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের পরিচালক শেখ হামিম হাসান বলেন, প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের নানা পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুরক্ষা আইনের পর বিধিমালা প্রণীত হয়েছে। এরপর অ্যাকশন প্ল্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে অনুমোদন হয়েছে।
তিনি বলেন, বাজেটে সীমাবদ্ধতা থাকায় দেশব্যাপী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সব সংগঠনকে বরাদ্দের আওতায় আনা সম্ভব হয় না। তাই যোগ্যতার ভিত্তিতে যাচাই করা হয়। যারা সত্যিকার অর্থে প্রতিবন্ধীদের অধিকারের কথা বলে, বিভিন্ন সংগঠনকে নেতৃত্ব দেয়, তাদের অগ্রাধিকার দিতে হয়।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ঋণ দেওয়ার বিষয়ে হামিম হাসান বলেন, অনেকের টাকা এখনও ফেরত পাওয়া যায়নি। তবু সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে আন্তরিক।
বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম অফিসার নুসরাত আইরীন। তিনি বলেন, ২০১১ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত জরিপ অনুসারে বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ দশমিক ৭ ভাগ। অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬ দশমিক ৯৪ ভাগ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী। সর্বশেষ সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত ১৭ লাখ ৯ হাজার ৫৮০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে এবং এটি চলমান প্রক্রিয়া বলে জানা গেছে।
নুসরাত আইরীন বলেন, সংখ্যা যাই হোক, প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করে তাদের উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে সরকার বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করছে এবং তা বাস্তবায়ন করছে। এ কাজে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছে এডিডি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়নমূলক সংস্থাও। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিবন্ধীদের স্ব-সহায়ক দল (সেল্প-হেল্প গ্রুপ) ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন (ডিপিও) গঠনের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা, দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলে উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এ ক্ষেত্রে মূল লক্ষ্য।
প্রতিবন্ধীদের নানা সমস্যা নিয়ে মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন বগুড়া জেলা বন্ধন প্রতিবন্ধী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সজীব আহমেদ, রংপুরের গঙ্গাচড়ার আশার আলো প্রতিবন্ধী নারী পরিষদের সভাপতি সোহেল রানা, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার শাপলা প্রতিবন্ধী সংস্থার সহ-সভাপতি শিল্পী বিশ্বাস, বগুড়ার এরুলিয়া তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থার সভাপতি সালমা খাতুন, পটুয়াখালীর গলাচিপার সূর্যের হাসি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মামুন খান এবং রংপুরের মধুপুরের জাগরণ প্রতিবন্ধী নারী পরিষদের সহসভাপতি ইয়াসমিন খাতুন।
তারা বলেন, স্থানীয় সরকারের বাজেট প্রস্তুতি কেমন, বাজেটের প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ কতটুকু রাখা হচ্ছে, এসব বিষয়ে প্রতিবন্ধীদের সংগঠনগুলো সজাগ রয়েছে। ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে র্যালি এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কাছে তারা দাবি-দাওয়া তুলে ধরছে। অস্বীকার করার উপায় নেই, প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে সামগ্রিক উন্নয়নে তাদের জন্য নির্দিষ্ট খাতভিত্তিক বরাদ্দ এবং সরকারি পর্যায়ে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো প্রয়োজন।
সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) নির্বাহী পরিচালক এএইচএম নোমান খান বলেন, প্রতিবন্ধীদের নিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মহলেও ইতিবাচক মানসিকতা রয়েছে। দুর্বল আইনকে সবল করা হয়েছে। বিধিমালা এবং কর্মপরিকল্পনাও গৃহীত হয়েছে। তবু কেন এত হতাশার কথা আসছে, দুর্বলতা কোথায় আছে, তা ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করা উচিত সব মন্ত্রণালয়ের, যেখানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় শুধু সমন্বয় করবে। তা না হওয়ায় তারা পদে পদে বঞ্চনা আর হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রতিবন্ধীদের মর্যাদা বাড়াতে চাইলে প্রকল্পভিত্তিক উন্নয়ন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্র এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সহকারী পরিচালক (সমাজসেবা ও পরামর্শ), প্রতিবন্ধিতা ও অটিজম বিষয়ক কমিটির সদস্য সচিব ফারজানা নাজনীন তুলতুল বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য যতই সেবাধর্মী উদ্যোগ নেওয়া হোক, সবখানে তাদের প্রবেশগম্য সুগম না হলে সেগুলো তাদের মর্যাদা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে না।
উইমেন উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন্নাহার মিষ্টি বলেন, ঘর থেকে বের হওয়ার আগে প্রতিবন্ধীদের অনেক বিষয়ে ভাবতে হয়। ভাতা নিতে গেলেও নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়। সুষম নাগরিক সেবা ভোগ করার অধিকার প্রতিবন্ধীদের আছে কি-না, সেটি আগে নিশ্চিত করা হোক।
ডিজঅ্যাবল্ড চাইল্ড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন জাহান বলেন, প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন করতে চাইলে তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের নানা খাতে তাদের অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে হবে। তাদের সিদ্ধান্ত ও মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতিবন্ধীদের নিয়ে সরকারের সহানুভূতির কমতি নেই। কিন্তু সত্যিকারের উন্নয়নে এটি যথেষ্ট নয়।
অ্যাকসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের কো-ফাউন্ডার মহুয়া পাল বলেন, আমরা প্রতিদিন একরকম যুদ্ধ করে চলছি। আমাদের জন্য গণপরিবহনে কোনো সুব্যবস্থা নেই। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ মাত্র শূন্য দশমিক ২১ শতাংশ। প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ভিত্তিক হওয়া উচিত। এমনকি বাজেট প্রণয়নেও প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ব্র্যাকের স্কিলস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার (অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লুশন) দিবা ফারাহ হক বলেন, প্রতিবন্ধীদের সংখ্যাই আজও চূড়ান্ত হলো না, তা হলে কীভাবে উন্নয়ন আশা করতে পারি। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হলে প্রতিবন্ধীদের সংগ্রাম থেকেই যাবে। এ জন্য তাদের অন্তর্ভুক্তিকরণের বিষয়টি ভাবতে হবে। তাদের প্রতি সহানুভূতি না, সহমর্মিতা থাকা উচিত।
জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থার সভাপতি আব্দুল হাই মন্ডল বলেন, বাংলাদেশে কোনোকিছুই আন্দোলন ছাড়া সম্ভব হয় না। প্রতিবন্ধীদের অধিকার আদায়ে এমন কিছু দরকার আছে কি-না জানি না। তাদের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হলে তাদের কথা শুনতে হবে। তাদের মতামতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনগুলোকে তুলে আনতে হবে।
প্রতিবন্ধী নারীদের জাতীয় পরিষদের সভাপতি নাসিমা আক্তার বলেন, শুধু সমাজকল্যাণ কেন, প্রতিবন্ধীদের দরকার সব মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে গেলে দেখা যায়, প্রতিবন্ধীদের জন্য বানানো র্যাম মোটরসাইকেলে ভরা। বাজেটে প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ হাস্যকর। বাস্তবায়নেও কোনো পর্যবেক্ষণ নেই।
এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম সুবোধ কুমার দাস বলেন, প্রতিবন্ধীদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। মুষ্টিমেয় প্রকল্পভিত্তিক এলাকা নয়, দেশব্যাপী পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এডিডি প্রতিবন্ধীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে- সামনেও এ ধরনের কাজ অব্যাহত রাখা হবে।
- বিষয় :
- গোলটেবিল বৈঠক
- প্রতিবন্ধী
