ঢাকা সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দায়িত্ব নিয়েই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করব: তাপস

দায়িত্ব নিয়েই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করব: তাপস
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২০ | ০৯:১৯ | আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২০ | ০৯:২২

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের নব-নির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্ট্যার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আমরা যখন সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নেব, প্রথম দিন থেকেই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করব। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। এখন সবাই মশাকে ভয় পায়, একদিন মশা আমাদের ভয় পাবে। 

তিনি বলেন, মশার প্রজনন শুরু হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা কিছু করতে পারছি না। কারণ আমরা দায়িত্ব পাবো মে মাসে। এর মধ্যে যদি মশা নিধনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে জুন মাস থেকে ডেঙ্গু মশার প্রজনন শুরু হবে। আমি আহ্বান করব এখন যারা সিটি করপোরেশনের দায়িত্বে আছেন তারা মশা নিধনে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 

মঙ্গলবার কামরাঙ্গীচরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কামরাঙ্গীচর থানা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠন সমূহ। এসময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের নব-নির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসসহ কামরাঙ্গীচরের নবনির্বাচিত ছয় কাউন্সিলরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 

ব্যারিস্ট্যার ফজলে নূর তাপস বলেন, মার্চ মাস হচ্ছে বাঙালির উজ্জ্বলতম মাস। এ মাসে ৩ তারিখ জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়েছে, ৭ মার্চ স্বাধীনতার ডাক দেওয়া হয়েছে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি জন্মগ্রহণ না করলে ৭ মার্চ আসত না, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা তথা এদেশ স্বাধীন হতো না। তাই প্রতিটি বাঙালির কর্তব্য বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন করা। পুরো মার্চ মাস জুড়ে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করা। 

তিনি বলেন, নগর ভবনের দরজা ৩৬৫ দিনের জন্য খোলা থাকবে। মেয়র সকল ঢাকাবাসীকে সময় দেবেন। ঢাকাবাসীর কথা, সমস্যা, অভিযোগ শোনার জন্য হেল্পলাইনের ব্যবস্থা করব। হেল্পলাইনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান না হলে মেয়রের সঙ্গে দেখা করবেন। মেয়র আপনার সকল সমস্যার সমাধান করবে।

তাপস বলেন, বিশ্বের ৫৭টি দেশ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আল্লাহর রহমতে আমাদের দেশে কেউ আক্রান্ত হয়নি। 

মেয়র বলেন, বর্তমান দেশে আমরা বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন আর কেউ বলে না বিদ্যুৎ চলে গেছে। কামরাঙ্গীচরে শুধুমাত্র একটি কমিউনিটি সেন্টার আছে। এখানকার প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিউনিটি সেন্টার করা হবে। এখানে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই, খেলার মাঠ করা হবে। সেখানে তরুণরা শরীরচর্চা বিনোদনের সুযোগ পাবেন। বুড়িগঙ্গার তীরে বেড়িবাঁধ করা হয়েছে। কামরাঙ্গীচরে সবচেয়ে বড় সমস্যা গ্যাস, এখানে সবার আগে গ্যাসের ব্যবস্থা করব। মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করব। নির্বাচনের আগে আমরা পাঁচটি রুপরেখা দিয়েছি। এ পাঁচটি প্রতিশ্রুতি পালন করব। আগামী ৫ বছরে উন্নত কামরাঙ্গীচর, উন্নত ঢাকা শহর উপহার দেব।

কামরাঙ্গীচর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন সরকারের উপস্থিতিতে সংবধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু হানিফ মন্নাফি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের ৫৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. নূরে আলম, ৫৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, ৫৭নং ওয়ার্ডের হাজী মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম মাদবর, ১৯নং (সংরক্ষিত) ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেফালী আক্তার, কামরঙ্গীচর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী সোলেমান মাতবর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান প্রমুখ।

আরও পড়ুন

×