যৌতুক দাবি, নির্যাতন ও ভ্রূণ নষ্টের মামলা
গ্রেপ্তার হয়নি প্লাবনসহ আসামিরা
×
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ মে ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
যৌতুক দাবি, যৌতুকের জন্য নির্যাতন এবং ভ্রূণ হত্যা মামলার প্রধান আসামি রেজাউল করিম প্লাবনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অন্য চার আসামি প্লাবনের বাবা-মা এবং দুই ভাই এমএ আজিজ ও এসএম নিজাম উদ্দিনকেও গ্রেপ্তার করা যায়নি।
হাতিরঝিল থানার ওসি আবদুর রশিদ সমকালকে বলেন, মামলার পরপরই তদন্ত শুরু হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা রহমান হাজির গ্রামেই রয়েছেন প্লাবন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ঢাকায় আসছেন না। হাতিরঝিলের মীরবাগে তার বাসা।
যৌতুক দাবি, যৌতুকের জন্য নির্যাতন এবং ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে গত সোমবার হাতিরঝিল থানায় প্লাবনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সমকালের স্টাফ রিপোর্টার সাজিদা ইসলাম পারুল। প্লাবন যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার। গত ২ এপ্রিল তারা বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর পারুল জানতে পারেন, আরও একাধিক নারীর সঙ্গে প্লাবনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ওই পথ থেকে স্বামীকে ফেরানোর চেষ্টা করেন তিনি। যৌতুক হিসেবে প্লাবন ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট দাবি করেন পারুলের কাছে। অনৈতিক সম্পর্কে বাধা এবং যৌতুক না দেওয়ায় শারীরিক নির্যাতন শুরু হয় পারুলের ওপর। মারধরের কারণে পারুলের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। ৫ মে তিনি প্লাবনের গ্রামের বাড়ি গেলে সেখানেও মারধরের শিকার হন তিনি। প্লাবনের বড় ভাই এমএ আজিজ, ছোট ভাই এসএম নিজাম উদ্দিন এবং বাবা সামসুল হক ও মা মারধর করেন পারুলকে।
হাতিরঝিল থানার ওসি আবদুর রশিদ সমকালকে বলেন, মামলার পরপরই তদন্ত শুরু হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা রহমান হাজির গ্রামেই রয়েছেন প্লাবন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ঢাকায় আসছেন না। হাতিরঝিলের মীরবাগে তার বাসা।
যৌতুক দাবি, যৌতুকের জন্য নির্যাতন এবং ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে গত সোমবার হাতিরঝিল থানায় প্লাবনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সমকালের স্টাফ রিপোর্টার সাজিদা ইসলাম পারুল। প্লাবন যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার। গত ২ এপ্রিল তারা বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর পারুল জানতে পারেন, আরও একাধিক নারীর সঙ্গে প্লাবনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ওই পথ থেকে স্বামীকে ফেরানোর চেষ্টা করেন তিনি। যৌতুক হিসেবে প্লাবন ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট দাবি করেন পারুলের কাছে। অনৈতিক সম্পর্কে বাধা এবং যৌতুক না দেওয়ায় শারীরিক নির্যাতন শুরু হয় পারুলের ওপর। মারধরের কারণে পারুলের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। ৫ মে তিনি প্লাবনের গ্রামের বাড়ি গেলে সেখানেও মারধরের শিকার হন তিনি। প্লাবনের বড় ভাই এমএ আজিজ, ছোট ভাই এসএম নিজাম উদ্দিন এবং বাবা সামসুল হক ও মা মারধর করেন পারুলকে।