ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ভাটারা থানার ওসির মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে অস্বাভাবিক লেনদেন

হ্যাক হওয়ার দাবি

ভাটারা থানার ওসির মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে অস্বাভাবিক লেনদেন
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৮:৫৫ | আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:২৩

রাজধানীর ভাটারা থানার ওসি ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁর দুটি অ্যাকাউন্টে ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা লেনদেন হয় বলে জানা গেছে। তবে ওসি বলছেন, তাঁর মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়েছিল এবং তিনি প্রতারণার ফাঁদে পড়েছিলেন। এ ঘটনায় তিনি একাধিক সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন।

ইমাউল হক সমকালকে বলেন, ‘প্রথমে আমার মোবাইল ফোনে একটি লিঙ্ক আসে। সেটিতে ক্লিক করলে দেখায়, অভিনন্দন! আপনি ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার পেয়েছেন। 
এরপর সত্যি সত্যি সেই টাকা আমার অ্যাকাউন্টে চলে আসে। তবে পরে আবার সেই টাকা আরেকটি নম্বরে পাঠাতে বলা হয়। আরও বড় পুরস্কার পাওয়ার জন্য কিছু বাড়তি টাকাও পাঠাতে বলে। সেখানে পাঠানোর পর তারা ফের আমার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠায়। এভাবে বেশ কয়েকবার লেনদেন হয়। আমার নিজের প্রায় দেড় লাখ টাকাও তাদের দেওয়া পড়েছে। একপর্যায়ে তারা আমার পাসওয়ার্ড ব্লক করে দেয় এবং আমার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলে। এটা আসলে একটা প্রতারণার ফাঁদ ছিল, যা আমি পরে বুঝতে পেরেছি। এ ঘটনায় আমি জিডি করেছি।’

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সাতটি বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে ওসির কাছে টাকা পাঠানো হয়। এর মধ্যে ভাটারা থানার পেছনের একটি মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের দোকান থেকে পাঠানো হয় ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। দুজন কনস্টেবলের নম্বর থেকে গেছে সাড়ে ৯ লাখ টাকা। আরও কয়েকটি নম্বর থেকে বাকি টাকা পাঠানো হয়। টাকাগুলো অনলাইন জুয়ায় খরচ হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও ওসির দাবি, অনলাইন জুয়ার কোনো বিষয় এর মধ্যে নেই।

আরও পড়ুন

×