কেআইবিতে কৃষিবিদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শেকৃবিতে সমাবেশ
ছবি: সংগৃহীত
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬ | ২০:০৫
কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষিবিদরা। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সামনে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শেকৃবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক খোন্দকার আসাদুজ্জামান কিটন। এতে অংশ নেন এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) সাবেক নেতারা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষিবিদরা।
সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক ড. মাহবুব ইসলাম, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ মো. সাইফুল্লাহ আজাদ, ডা. মমতাজ আলী, মো. এমদাদুল হক দুলু, শফিকুল ইসলাম নোবেল এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফুর রহমান মৃদুল।
বক্তারা বলেন, কেআইবির মতো একটি পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লেনদেন, চাপ প্রয়োগ এবং ভিন্নমত দমনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চার লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর পর গত ৪ জুন কেআইবি প্রাঙ্গণে পরিকল্পিতভাবে কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর হামলা চালানো হয়।
তারা আরও বলেন, গত ১৬ জুন হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কৃষিবিদ সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন বিপ্লবের সঙ্গে পারভেজের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পরপরই তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি পারভেজের ওপর হামলা চালান।
সমাবেশ থেকে বক্তারা ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তারা বলেন, কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের পেশাজীবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এমন একজন পেশাজীবী নেতার ওপর প্রকাশ্যে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, পেশাজীবী সংগঠনের ভেতরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না। হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তারা ঘোষণা দেন। দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে সারাদেশের কৃষিবিদ, পেশাজীবী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সমাবেশ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
