অনলাইন যৌন শোষণ থেকে শিশুদের সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান
ছবি-সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ২১:৫৯
শিশুর প্রতি অনলাইনভিত্তিক যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে পরিবার, সমাজ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি শিশু, নারী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার পুরান ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ সম্মেলন কক্ষে ‘শিশুর প্রতি অনলাইনভিত্তিক যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক ওরিয়েন্টেশন সভায় এসব কথা বলা হয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) উদ্যোগে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও টেরে দেস হোমস (টিডিএইচ) নেদারল্যান্ডসের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘স্পিক আপ’ প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় শিশু ও তরুণদের অনলাইন অধিকার এবং সুরক্ষাসংক্রান্ত আইনি বিষয়গুলো সহজ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোর (সিএসও) মাধ্যমে শিশু ও তরুণদের সহায়তা, সুরক্ষা কাঠামো আরও কার্যকর করা এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া বিচারক মো. সায়েম খান, সিনিয়র সহকারী জজ মুনতাসির আহমেদ, বিচারক মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচকরা বলেন, অনলাইনভিত্তিক যৌন শোষণ ও নির্যাতন থেকে শিশুদের সুরক্ষায় শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়। পরিবার ও সমাজের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়ে ধারণা দিতে হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি শনাক্ত করে দ্রুত সহায়তা দিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন।
সভায় আসকের এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।
আসকের কো-অর্ডিনেটর মো. রোকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও ‘স্পিক আপ’ প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে একটি সংক্ষিপ্ত পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করা হয়।
- বিষয় :
- আসক
- অনলাইন
- যৌন হয়রানি
- শিশু