ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু
×

আবু বকর সিদ্দিক রাসেল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬ | ২০:৩৯ | আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৬ | ২৩:৫৭

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মোহাম্মদপুরের শ্রমিক দল নেতা আবু বকর সিদ্দিক রাসেল চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে পুলিশের ধারণা। গত ১৩ আগস্ট হামলার শিকার হন তিনি। এরপর থেকে রাসেল জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) ভর্তি ছিলেন।

ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ।

নিহতের স্ত্রী শিরিন আক্তার সমকালকে বলেন, তার স্বামী শ্রমিক দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি পদের জন্য রাসেল মনোনয়ন জমা দেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামীকে যুবদল নেতা জাহিদ হোসেন মোড়ল প্রার্থী হতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি তা না শোনায় গত ১৩ আগস্ট জাহিদ মোড়লের নির্দেশে তার স্বামীর ওপর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে হামলা করা হয়। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

হামলার দুইদিন পর রাসেলের স্ত্রী মোছা. শিরিন আক্তার বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহিদ হোসেন মোড়ল, পিচ্চি রাকিব, জহিরুল ইসলাম বিপ্লবসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫–২০ জনকে আসামি করা হয়।

নিহত রাসেলের মেয়ে বলেন, ‘জাহিদ মোড়ল, শান্ত, পিচ্চি হেলালের কারণে আমার বাবা মারলো। আমার বাবা আজকে যেভাবে মরলো আমি এর সঠিক বিচার চাই।’

‎নিহতের রাসেলের স্বজনরাও জাহিদ মোড়ল, শান্ত, পিচ্চি হেলালের বিচারের দাবি করেন।

শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, রাসেলের ওপর হামলার ঘটনায় গত শনিবার রাতে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছিল। মারা যাওয়ার পর এটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে। এ মামলায় আগেই কয়েকজন আসামি আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন

×