ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নগরে সান্ধ্যকালীন ক্লিনিক চালুর ভাবনা

নগরে সান্ধ্যকালীন  ক্লিনিক চালুর ভাবনা
×

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৩৮

| প্রিন্ট সংস্করণ

ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের বাস্তবতায় নগর স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূলধারায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঠামোর আওতায় এনে নতুনভাবে সাজানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। নগরের নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সান্ধ্যকালীন ক্লিনিক চালুর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘টেকসই এসআরএইচআর ইকোসিস্টেম’ বিষয়ে আয়োজিত জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সিএসও ফোরামের উদ্যোগে এ সভা হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের শহুরে জনসংখ্যা ছিল ১০ শতাংশেরও কম। তখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল মনোযোগ ছিল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দিকে। বর্তমানে দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ হার ৫০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। ফলে নগর স্বাস্থ্যসেবাকে বাদ দিয়ে টেকসই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
এম এ মুহিত বলেন, আমরা শুধু আজকের জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ছি না। আগামী দিনের কথাও ভাবছি। তাই নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাস্তবতার নিরিখে।

এতদিন নগর স্বাস্থ্যসেবা মূলত সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যমান ব্যবস্থার নমনীয়তা ও ইতিবাচক দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে সরকারের অধীনে একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। নতুন কাঠামোয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর যৌথভাবে নগর স্বাস্থ্য সেবায় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে জানান তিনি।
পরামর্শ সভা সঞ্চালনা করেন সিএসও ফোরামের আহ্বায়ক ও আইপাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. সায়েদ রুবাইয়েত। আরও বক্তব্য দেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত রেহানা।

আরও পড়ুন

×