আবরার হত্যাকাণ্ড ন্যক্কারজনক: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ- ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০১৯ | ০৯:৪৬ | আপডেট: ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ০৯:৫৪
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড ন্যক্কারজনক ও অনভিপ্রেত। আমরা শুরু থেকেই এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। যারা এ ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হবে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
বুধবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে টেলিভিশন শিল্পী, কলা-কুশলী, নাট্যকার, অনুষ্ঠান নির্মাতাদের সম্মিলিত সংগঠন ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনের (এফটিপিও) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আবরার হত্যা মামলার সব অভিযুক্তকে পুলিশ ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে। সরকার এবং ক্ষমতাসীন দল সবসময় এমন হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করে।
তিনি বলেন, সমালোচনা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি চর্চার বিষয়। যে কেউ তার নিজের মতামতের মাধ্যমে সমালোচনা করতেই পারে। তবে হত্যা বা আক্রমণ মতবিরোধের জবাব দেওয়ার কোনো পন্থা হতে পারে না। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইতিমধ্যে আবরার হত্যাকাণ্ডের জন্য বুয়েট শাখার কিছু নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে। যারা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, সরকার তাদের সহ্য করবে না। হাছান মাহমুদ বলেন, যারা এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার ছড়ানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, এফটিপিওর আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ প্রমুখ। মামুনুর রশীদ দেশের সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ হিসেবে কিছু বিদেশি টিভি সিরিয়াল অভিশাপ উল্লেখ করে তিনি সরকারকে বাংলায় প্রচারিত বিদেশি টিভি সিরিয়াল সম্প্রচারের ক্ষেত্রে প্রিভিউ কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।
১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সরাতে হবে ডিটিএইচ সংযোগ : বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির ডিরেক্ট টু হোম (ডিটিএইচ) অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়। বিদেশি কোনো ডিটিএইচ কোম্পানিকে এখানে ডিটিএইচ যন্ত্র বসিয়ে সম্প্রচারের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সুতরাং বিদেশি যেসব ডিটিএইচ যারা ব্যবহার করছেন বা যাদের মাধ্যমে ব্যবহার করছেন, পুরোটাই অবৈধ। এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিচ্ছি। সব অবৈধ বিদেশি ডিটিএইচ যন্ত্র এর মধ্যেই সরিয়ে নিতে হবে।
- বিষয় :
- তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
