করোনাভাইরাস ও বিশ্ব রাজনীতি
আমিরুল আলম খান
প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২০ | ১০:৪৯
করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে সারা দুনিয়ায়, মোট ১৬৮টি দেশে। শুধু এন্টার্কটিকা বাদে সব মহাদেশেই এখন করোনার নিষ্ঠুর থাবা। মনে হতে পারে, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা যেখানে ৭০০ কোটি, সেখানে প্রায় তিন মাসে প্রায় চার লাখ মানুষ একটা রোগে আক্রান্ত হওয়া বা সাড়ে ১৬ হাজার মৃত্যু এমন কী ভয়াবহ সংখ্যা? এর আগেও পৃথিবীতে অনেক মহামারি হয়েছে এবং তাতে মারা গেছে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষ। প্লেগ, কুষ্ঠ, যক্ষ্ণা, টাইফয়েড, কলেরা বা ম্যালেরিয়ায় কী কম লোক মারা গেছে? কলেরায় আমাদের দেশেই গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়ে যেত। সেসব রোগের ওষুধ আবিস্কার হতে কেটে গেছে কয়েক শতাব্দীকাল। তাহলে এখন এত শোরগোল কেন?
কথা ঠিক। কিন্তু সেকালে সব রোগই ছড়াত স্থানীয়ভাবে। আজকের মতো পৃথিবী একটা গ্রামে (যাকে আমরা আদর করে 'গেল্গাবাল ভিলেজ' বলে ডাকি) পরিণত হয়নি। মানুষের যাতায়াত ছিল মন্থর। খুব অল্প সংখ্যক মানুষই নিজের এলাকা ছেড়ে দূরদেশে যেতে পারত। তাই রোগ কিংবা খবর কোনোটাই এত অল্প সময়ে সারাদুনিয়ায় এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ত না।\হকরোনাভাইরাস সংক্রমণ মানুষের জীবাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার ভয়াবহ পরিণতি কিংবা এটি প্রাকৃতিকভাবেই সৃষ্ট কিনা তা নিয়ে জোর বিতর্ক চলছে। সে বিতর্ক চলবে বহুকাল। হয়তো তার মীমাংসাও হবে না কখনও।
কেউ বলছেন, করোনাভাইরাস যুযুধান জাতিগুলোর নির্বোধ শক্তি ও বাণিজ্য প্রতিযোগিতার ফল। ধর্মবাদীরা বলছেন, এ হলো আল্লাহর গজব। প্রকৃতবাদীরা বলছেন, প্রকৃতির ওপর মানুষের নির্বোধ লোভ ও প্রকৃতি সংহার ডেকে এনেছে এই মহাদুর্যোগ। দেখা যাচ্ছে, করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, বিশ্ববাণিজ্য, সমরকৌশল, ধর্মবিশ্বাস, বিবর্তনবাদ পরস্পর বাকযুদ্ধে মেতে উঠেছে। যেভাবেই ব্যাখ্যা করি না কেন, একটি বিষয় বেশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তা হলো, সীমা লঙ্ঘন। প্রকৃতির ওপর মানুষের সীমাহীন খবরদারির ফল হতে পারে এ মহাদুর্যোগের কারণ। অপরের সম্পদ লুণ্ঠন, নির্বিচার প্রকৃতি দোহন, মাত্রাতিরিক্ত সমরশক্তি প্রয়োগ, বিশ্বপ্রকৃতি বিষাক্ত করে ফেলা এর কারণ হতে পারে। মানুষ শুধু পানি, মাটি, বাতাসই বিষাক্ত করেনি, পৃথিবীর গভীর হতে, মহাসমুদ্রের তলদেশ, নিঃসীম আকাশ ভয়াবহভাবে দূষিত করেছে। নির্দ্বিধায় বলা যায়, বিশ্বায়ন ও প্রকৃতি লুণ্ঠনের পরিণতি এ ভাইরাসের মারাত্মক সংক্রমণ। যদি তা জীবাণু অস্ত্র পরীক্ষাগার থেকেও ছড়িয়ে থাকে তারও ব্যাখ্যা হলো- অন্য জাতির ওপর ছড়ি ঘোরানো, অন্যের সম্পদ লুণ্ঠনের যে সীমাহীন লোভের জন্ম দিয়েছে মানুষ তারই প্রতিযোগিতার ফল এসব মারণ জীবাণু বা ভাইরাস।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে যখন ২০১৬ সালে মাঠে নামলেন, তখন স্লোগান দিলেন, 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন'। আমেরিকা ততদিনে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ঋণের বোঝা টেনে টেনে জেরবার। সবচেয়ে অলস মানুষ আমেরিকার সাদারা। তাদের তিনি ঘা মেরে জাগাতে চান। কোপ পড়ল অ-সাদা, অ-মার্কিনিদের ঘাড়ে। যারা সাদা নয়, যারা কালো, বাদামি, হিস্পানিক, মোলাটো, পীত- তাদের জন্য আমেরিকার দরজা বন্ধ করার ধুয়ো তুললেন। ফলও পেলেন হাতে হাতে। তামাম দুনিয়ার হিসেব উল্টে দিয়ে ট্রাম্প বসলেন ওভাল অফিসে। ছয় দিনের মাথায় মুসলমানদের জন্য বন্ধ করলেন আমেরিকার দরজা। প্রাচীর তোলার কোশেশ শুরু হলো মেপিকো সীমান্তজুড়ে। এসব কাণ্ডে মার্কিন জীবন ঢুকে গেল এক নতুন সংকটে। ওবামার স্বাস্থ্যনীতি ট্রাম্প এক কলমের খোঁচায় বাতিল করলেন। গেল্গাবাল ওয়ার্মিং কমিয়ে আনতে করা প্যারিস চুক্তি থেকে বের করে নিলেন আমেরিকাকে। তারপর শায়েস্তা করতে গেলেন উত্তর কোরিয়াকে। সেখানে মুখ পুড়িয়ে ঘরে ফিরতে হলো ট্রাম্প সাহেবকে। এবার চোখ ফেরালেন চীন আর ইরানের দিকে। দুটোকেই শায়েস্তা করার অভিলাষে পেয়ে বসল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। এবার অন্য দাওয়াই। চীনের বিরুদ্ধে শুরু করলেন বাণিজ্যযুদ্ধ। চীনের পণ্যে মাত্রাছাড়া কর বসালেন। সারা দুনিয়া কেঁপে উঠল। তারা বলল, এই বাণিজ্যযুদ্ধের পরিণতি হবে মারাত্মক। ভেঙে পড়বে বিশ্ব ব্যবস্থা। কিন্তু ট্রাম্প এমনকি তার ইউরোপীয় বন্ধুদের অনুরোধেও কান দিলেন না। ক্রমেই বাড়িয়ে চললেন বাণিজ্যিক লড়াই। চীনই বা ছেড়ে কথা বলবে কেন? সেও আটঘাট বেঁধে নেমে গেল লড়াইয়ে।
ওদিকে ইরান কথা শুনছে না আমেরিকার। সে আমেরিকার প্রিয় সাগরেদ ইসরায়েলের ঘাড়ে নাকি নিঃশ্বাস ফেলছে। তাকেও শায়েস্তা করতে হবে। ছয় জাতি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চুক্তি থেকে সরে গেলেন ট্রাম্প। নতুন অবরোধ আরোপ করা হলো ইরানের ওপর। ইরানের বিরুদ্ধে উস্কে দিলেন সৌদি আরব, সংযুক্ত আমির আমিরাতকে। আগে থেকেই তো লেগেই ছিল ইসরায়েল।\হকিন্তু ইরান মাথা নোয়ালো না। জেনারেল কাসেমিকে গুপ্তহত্যা করেও ইরানকে দমানো গেল না। সিরিয়া দখলে নেওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল রাশিয়া, তুরস্ক। আফগানিস্তানে নাকে খত দিয়ে চুক্তি করতে হলো তালেবানদের সঙ্গে। এত পরাজয় মেনে নেওয়া যায় না। বিশ্বজুড়ে হায়হায় রব উঠল। কিন্তু ট্রাম্পের জেদে ফাটল ধরল না এতটুকু।
তাহলে? হ্যাঁ, মোক্ষম অস্ত্র আছে তার হাতে। জীবাণু অস্ত্র। এর আগেও আমেরিকা নানা যুদ্ধে জীবাণু অস্ত্র প্রয়োগ করেছে। এবার চীনে তা পরখ করে দেখা যেতে পারে। সামনেই তার নির্বাচন। কোনো রকমে একটা ইমপিচমেন্ট ঠেকানো গেছে। আমেরিকা গ্রেট, তা যদি না দেখানো যায় তবে সব ফতে হয়ে যাবে। তার এমন খেলার তত্ত্ব কি উড়িয়ে দেয়া যায় এক ফুঁৎকারে?
ট্রাম্প পাকা খেলোয়াড়। ঝানু ব্যবসায়ী। মার্কিন গণতন্ত্রে এমন পাগলা স্বেচ্ছাচারী প্রেসিডেন্ট আগে দেখা যায়নি। তিনি যা মনে করেন তাই করেন। কারও কথা শোনেন না। মতের মিল না হলেই সবচেয়ে কাছের কর্মকর্তাকেও আচমকা 'ফায়ার' করেন। তার অফিসে কারও চাকরিই নিরাপদ নয়। মর্জি ভালো তো চাকরি থাকবে, মর্জি বিগড়ে গেলেই কল্লা কেটে বিদায়।\হতবে ট্রাম্প সাহেবের বুদ্ধির তারিফ করতেই হয়। গত পাঁচ বছরে একমাত্র ফপ টিভি ছাড়া দুনিয়ার কোনো মিডিয়া তার পক্ষে এক কলম লেখেনি, কোনো টিভি তার পক্ষে কিছু প্রচার করেনি। কিন্তু করোনা ইস্যুতে সারা দুনিয়ার তাবড় তাবড় মিডিয়া হাউসকে ঘোল খাইয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি যেমন চেয়েছেন, মিডিয়া তেমন খবরই প্রচার করেছে। চীনও খুব উচ্চবাচ্য করেনি। পুতিনও বেশ চুপচাপ থেকেছেন। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইটা জিততে হবে প্রথমে।
কিন্তু সবাই একটা প্রশ্নের জবাব খুঁজে পাচ্ছিল না। ট্রাম্পের প্রচারযন্ত্র যেমন যেমন প্রচার করেছে, করোনাভাইরাসও যেন প্রভুভক্ত কুকুরের মতো ঠিক সে পথেই হেঁটেছে। এমনকি, ১৯৮১ সালে প্রকাশিত মার্কিন কল্পকাহিনি লেখক ডন কুন্টজের 'দ্য আইস অব ডার্কনেস' নিয়ে দুনিয়া মাতোয়ারা এখন। লাখ লাখ কপি বিক্রি হচ্ছে এ কল্পকাহিনি। এ কল্পকাহিনিতে বলা হচ্ছে, চীনের উহানে এক গবেষণাগারে চীনারা জীবাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালাতে গিয়ে কোনো এক ভুলে তা নাকি ছড়িয়ে পড়ে বাইরে। সে ভাইরাসের নাম উহান-৪০০। কী আশ্চর্য মিল! কাহিনিকারের কল্পনা মতোই চীনের উহানেই প্রায় ৪০ বছর পর করোনাভাইরাস হানা দিল!
আরও একটি খবর বেশ মজাদার বটে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সেরা সাংবাদিক সাদ ওলসোন। তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, কভিড-১৯-এর জন্ম নর্থ ক্যারোলিনা ইউনিভার্সিটির গবেষণাগারে, পাঁচ বছর পর যেটি ছড়িয়েছে চীনের উহান থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (চ্যাপেল হিল) সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. রালফ ব্যারিক ২০১৫ সালের নভেম্বরে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন 'নেচার মেডিসিনে'। সেখানে তিনি চীনের ঘোড়া-বাদুড়ের লালা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে এক ধরনের করোনাভাইরাসকে সক্রিয় করে তা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, যার বৈজ্ঞানিক নাম দেন এসএইচসি-০১৪। এ গবেষণার কারণ জানিয়ে সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ফ্রান্সিস কলিন্স বলেছিলেন, অণুজীবের মাধ্যমে জৈব নিরাপত্তা এবং সতর্কতামূলক বিষয়গুলোকে আরও সুদৃঢ় করতেই এ ধরনের গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। গবেষণাগারের প্রকৌশলবিদ্যা ব্যবহার করে ভাইরাসটির সংক্রমণ ক্ষমতার বিচিত্র কয়েকটি দিক নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে।
নেচার মেডিসিনে সেই গবেষণাপত্র প্রকাশ হওয়ার পরই এ ধরনের গবেষণার মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন অণুজীব বিশেষজ্ঞ রিচার্ড এডব্রাইট। ২০১৫ সালের নভেম্বরেই দ্য সায়েন্টিস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, এ ধরনের বিপজ্জনক গবেষণার ফলে কোনো কারণে ভাইরাসটি গবেষণাগার থেকে পালিয়ে লোকালয়ে চলে আসতে সক্ষম হলে এটা মানবজাতি এবং অন্য অনেক প্রাণীকুলের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। কারণ এটা যখন প্রকৃতিতে অন্য কোনো পোষকদেহে নির্জীব অবস্থায় থাকে, তখন তার সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি কম। তবে এটি গবেষণাগারে সক্রিয় করার পর একবার যদি মানুষে সংক্রমিত হয়, তাহলে সেটা নির্জীব থাকবে না, প্রাণঘাতী ভয়ংকর অস্ত্রের মতোই আঘাত করবে (সমকাল, ৪ মার্চ, ২০২০)।
এবার অন্য কিছু খোঁজখবর নেওয়া যাক। ২০১৮ সালে পিউ-ব্রাইট ইনস্টিটিউট করোনাভাইরাস সংক্রান্ত একটি পেটেন্ট ইস্যু করে। বিল অ্যান্ড মিলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এর আর্থিক জোগানদার। ২০১৯ সালের অক্টোবরে পিউ-ব্রাইট ইনস্টিটিউট, জন হপকিন্স এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম একত্রে আমেরিকার নিউইয়র্কে একটি ইভেন্ট আয়োজন করে। যেখানে মূল কাজ ছিল করোনাভাইরাস-ভিত্তিক একটি উচ্চ পর্যায়ের মহামারির সিম্যুলেশন তৈরি করা। এ সিম্যুলেশন থেকে এ ধারণা করা হয় যে, এমন একটি মহামারি ছড়িয়ে পড়লে ৬৫ মিলিয়ন (সাড়ে ছয় কোটি) মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
এ সিম্যুলেশন থেকে মহা মুনাফার এক জাল বোনে তারা। যদি করোনাভাইরাস কোনো রকমে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, আর প্রচারমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যায় আতঙ্ক, তাহলে এক মহা মুনাফা এসে যাবে হাতের নাগালে। পরিকল্পনা করা হয়, এ আতঙ্ক ছড়িয়ে দ্রুত এক ভ্যাকসিন তৈরি করা ফেলারও।\হমজার বিষয়, করোনার প্রাদুর্ভাবের কথা মিডিয়ায় আসতে না আসতেই তাকে প্যান্ডেমিক বা মহামারি বলে প্রচার শুরু করে মিডিয়া মুঘলরা। তারপর সবই ছক মেনেই চলছিল।
তবে চীনে প্রথম করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও তা মোকাবিলায় চীন যা পেরেছে তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। সেখানে দ্রুত জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসছে। স্কুল-কলেজ, দোকানপাট খুলছে। কলকারখানায় কাজ শুরু হচ্ছে। বিদেশি বিমানের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে চীনা বিমানবন্দরগুলো।
কিন্তু এখন খোদ মার্কিন মুলুকই চরম ঝুঁকিতে। সেখানে ৫২ অঙ্গরাজ্যের ৫০টিই এখন করোনা সংক্রমিত।\হচীনের এই দ্রুত সাফল্যে জ্বালা ধরেছে ট্রাম্প গংয়ের। তারা চীনের সমালোচনায় সব সময় মুখর ছিল। কিন্তু এই প্রথম চীনা সরকারি বিবৃতিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য মার্কিন প্রশাসন তথা মার্কিন সেনাদের অন্তর্ঘাতের দিকে তোপ দেগেছে চীন। আগামী দিনে জানা যাবে অনেক গোপন রহস্য।
ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে, সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী একজোট হয়ে করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে ফায়দা লুটতে চেয়েছে। চীনের উচ্চাভিলাষী নতুন সিল্ক্ক রোডকে (বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ) নস্যাৎ করতেই বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদের এই আতঙ্ক ছড়ানোর খেলা। কিন্তু সে আগুনে সবচেয়ে বেশি পুড়ছে দুনিয়ার সবচেয়ে উন্নত দেশের তকমাধারীরাই।
লেখক যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান
- বিষয় :
- আমিরুল আলম খান
- চতুরঙ্গ
- করোনাভাইরাস
- করোনা
