ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ভাত, কাত ও রাষ্ট্র গঠনের রাজনীতি

ভাত, কাত ও রাষ্ট্র গঠনের রাজনীতি
×

জোবাইরুল হাসান আরিফ

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬ | ১৮:৪৮

মানুষ জন্মগতভাবে রাষ্ট্রের নাগরিক নয়। মানুষ প্রথমে ছিল পরিবারে, পরে গোত্রে, তার পর উপজাতিতে, তার পর সমাজে। রাষ্ট্র মানবসভ্যতার আদি প্রতিষ্ঠান নয়; বরং রাষ্ট্র মানবসভ্যতার দীর্ঘ রাজনৈতিক বিবর্তনের একটি তুলনামূলক সাম্প্রতিক সৃষ্টি।

হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ রাষ্ট্র ছাড়াও বেঁচে ছিল। কিন্তু একসময় জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেল, কৃষি উৎপাদন উদ্বৃত্ত তৈরি করল, সম্পত্তির ধারণা জন্ম নিল, স্থায়ী বসতি গড়ে উঠল, নিরাপত্তার প্রশ্ন সামনে এলো। তখন মানবসমাজ এমন একটি কর্তৃত্বশীল কাঠামোর প্রয়োজন অনুভব করল, যা আইন প্রয়োগ করবে, সংঘাত নিয়ন্ত্রণ করবে, সম্পদ রক্ষা করবে এবং বহিরাগত আক্রমণ থেকে সমাজকে নিরাপদ রাখবে। এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার ফলাফল হলো রাষ্ট্র।

রাষ্ট্রের উৎপত্তি নিয়ে বহু তত্ত্ব আছে। কেউ সামাজিক চুক্তির কথা বলেছেন, কেউ বল প্রয়োগের, কেউ অর্থনৈতিক সম্পর্কের। কিন্তু সব তত্ত্বের মধ্যেই একটি সাধারণ বিষয় আছে– রাষ্ট্র হলো ক্ষমতার সংগঠিত রূপ। রাষ্ট্র মানে কেবল ভূখণ্ড নয়, কেবল সরকার নয়, কেবল জনগণও নয়। রাষ্ট্র হলো এমন একটি রাজনৈতিক সত্তা, যা একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বৈধ বল প্রয়োগের একচেটিয়া অধিকার দাবি করে। জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবারের ভাষায়, রাষ্ট্র হলো সেই প্রতিষ্ঠান, যা বৈধ সহিংসতার একচেটিয়া মালিকানা ধারণ করে।
এই সত্যটি যতটা অস্বস্তিকর, ততটাই বাস্তব।  আমরা প্রায়ই রাষ্ট্রকে স্কুল, হাসপাতাল, রাস্তা, বিদ্যুৎ বা খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে দেখি। কিন্তু রাষ্ট্রের জন্ম এসব কারণে হয়নি। রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে নিরাপত্তা, কর্তৃত্ব এবং রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজন থেকে। ইতিহাসে কোনো রাষ্ট্র প্রথমে কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নেয়নি। সব রাষ্ট্রই প্রথমে নিরাপত্তার রাষ্ট্র, তার পর প্রশাসনিক রাষ্ট্র, তার পর উৎপাদনশীল রাষ্ট্র এবং অনেক পরে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
এই বাস্তবতাকে ভুলে গেলে রাজনীতি ভ্রান্তির মধ্যে পড়ে। এই আলোচনার কারণ নিজেদের তথা বাংলাদেশের অবস্থান চিহ্নিত করে কর্মপন্থা ঠিক করা। এ বড় কঠিন কাজ! কারণ, যেসব চিহ্ন ধরে আমরা আলোচনা এগিয়ে নেব, সেগুলো অনেকের কাছে কর্মপন্থা ঠিক করার উপযুক্ত কিছু মনে নাও হতে পারে। কিন্তু সমসাময়িক নানান আলোচনা ও সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডিং অনুসরণ করে কিছু বিষয় চিহ্নিত করা যায়। অন্তত দুইটা। ধরা যাক, একটার নাম দিলাম ভাত, আরেকটার নাম কাত। কাতের রাজনীতি ও ভাতের রাজনীতি নিয়ে বলা যাক কিছু কথা।

বাংলাদেশের একটা নির্দিষ্ট ঘরানার লোকের রাজনীতির একটি বড় সমস্যা হলো, তারা রাষ্ট্রকে রাষ্ট্র হিসেবে বুঝতে চায় না। ঔপনিবেশিক ধারাবাহিকতায় পাওয়া তার রাষ্ট্রের যে গাঠনিক দুর্বলতা আছে, তা তাদের রাডারে ধরা পড়ে না। ফলে রাষ্ট্রকে যে গড়ার ব্যাপার আছে, তা তাদের চিন্তায় অনুপস্থিত। ফলে রাষ্ট্র গঠনের যে কোনো প্রশ্নকে তারা ভাতের প্রশ্নে নামিয়ে নিয়ে আসে। ধরা যাক, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী আপনি রাষ্ট্রের সংস্কার করতে চাইবেন। তারা বলবে সংস্কার করে কী লাভ! মানুষ কি ভাত খেতে পারবে? 

বাংলাদেশের এবারের বাজেট ঘোষণার পর এ রকমও তর্ক পাওয়া গেল যে, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষার প্রশ্নকেও ভাতের প্রশ্নে নামিয়ে নিয়ে আসা হয়। ভাতের ব্যবস্থা না করে প্রতিরক্ষার দরকার নাই– এই রকমের আলাপ। এভাবে প্রতিরক্ষা বাজেটকে সব সময় উন্নয়ন ও ওয়েলফেয়ারের বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দেখানো হয়। যেন সামরিক বাজেট মানেই জনগণের ভাতের টাকা কেড়ে নেওয়া! প্রতিরক্ষা মানেই যেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, কর্মসংস্থান এসবের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র!

বাংলাদেশে আজ যে কটি রাজনৈতিক বিভ্রান্তি সবচেয়ে প্রকট, তার একটি হলো রাষ্ট্রের প্রশ্নকে অর্থনীতির প্রশ্নে নামিয়ে আনা। আমি একে বলি ‘ভাতের রাজনীতি’। ভাতের রাজনীতি মনে করে, মানুষের সব রাজনৈতিক সমস্যার মূল হলো অর্থনৈতিক সমস্যা। খাদ্য, মজুরি, চাকরি, ভর্তুকি, মূল্যস্ফীতি, কল্যাণ–এসবই যেন রাজনীতির একমাত্র বিষয়। রাষ্ট্রের সক্ষমতা, সামরিক নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দক্ষতা, জাতীয় সংহতি, কূটনৈতিক স্বাধীনতা কিংবা সার্বভৌমত্ব– এসবকে গৌণ মনে করা হয়।
এই ধরনের চিন্তার একটি শক্তিশালী নৈতিক আবেদন আছে। কারণ ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ভাত অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হওয়া আর একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ হওয়া এক জিনিস নয়।
ইতিহাসে এমন কোনো জাতি নেই যারা কেবল ভাতের ওপর দাঁড়িয়ে নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। রোমান সাম্রাজ্য খাদ্যের প্রশ্ন জানত, কিন্তু শুধু খাদ্যের প্রশ্ন জানত না। ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বাণিজ্যের গুরুত্ব বুঝত, কিন্তু শুধু বাণিজ্য করেই টিকে থাকেনি। যুক্তরাষ্ট্র আজ পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ রাষ্ট্র, কিন্তু তার বাজেটের একটি বিশাল অংশ এখনও প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সক্ষমতায় ব্যয় হয়। চীন দারিদ্র্য দূর করেছে, কিন্তু একই সঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্রক্ষমতাগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। এমনকি ছোট রাষ্ট্র সিঙ্গাপুরও তার নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্নকে অর্থনীতির বিপরীতে দাঁড় করায়নি।

কারণ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি মৌলিক শিক্ষা হলো– নিরাপত্তাহীন সমৃদ্ধি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। একটি জাতি যদি নিজের সীমান্ত রক্ষা করতে না পারে, নিজের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, নিজের কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করতে না পারে, তবে তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও শেষ পর্যন্ত অন্যের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

সুতরাং প্রতিরক্ষা ও কল্যাণের মধ্যে কৃত্রিম বিরোধ সৃষ্টি করা ভুল। ভাত এবং সার্বভৌমত্ব পরস্পরের শত্রু নয়; বরং পরস্পরের শর্ত। যে রাষ্ট্র নিজেকে রক্ষা করতে পারে না, সে তার নাগরিকের ভাতও রক্ষা করতে পারে না। কিন্তু বাংলাদেশের সংকট শুধু ভাতের রাজনীতি নয়। আরেকটি সংকট আছে, যাকে আমি বলি ‘কাতের রাজনীতি’।
কাত মানে পাশ ফিরে শোয়া, আরাম করা, ঘুমিয়ে পড়া কিংবা আঘাতে পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে থাকা। রাজনীতির ভাষায় কাতের রাজনীতি হলো সেই রাজনীতি, যা রাষ্ট্র গঠনের কঠিন প্রশ্নগুলোকে আড়াল করে নাগরিককে সাময়িক সান্ত্বনা দেয়।

এখানে রাজনীতি মানে নানা কার্ড, ত্রাণ, অনুদান, সেবামূলক কর্মসূচি, সততার গল্প কিংবা ভালো মানুষের নৈতিকতা। শুনতে সুন্দর, দেখতে মানবিক। কিন্তু এর একটি বড় সীমাবদ্ধতা আছে: এটি ধরে নেয় যে রাষ্ট্র ইতোমধ্যেই গঠিত। বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশ এখনও একটি অসম্পূর্ণ রাষ্ট্র। ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক কাঠামোর উত্তরাধিকার, দুর্বল প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, দুর্নীতি, অকার্যকর বিচারব্যবস্থা এবং জবাবদিহিহীন আমলাতন্ত্রের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি রাষ্ট্রে কেবল ওয়েলফেয়ার রাজনীতির স্বপ্ন দেখানো অনেক সময় মরীচিকার মতো।

কারণ, কল্যাণ রাষ্ট্র আকাশ থেকে নামে না। এর আগে লাগে কার্যকর করব্যবস্থা, দক্ষ প্রশাসন, শক্তিশালী বিচারব্যবস্থা, পেশাদার আমলাতন্ত্র, নাগরিকত্বের সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক জবাবদিহি। ইউরোপের কল্যাণ রাষ্ট্রগুলোও এই ভিত্তি নির্মাণের পরই ওয়েলফেয়ার রাজনীতিতে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের সংকট তাই মূলত কল্যাণের নয়; রাষ্ট্র গঠনের সংকট। ইউরোপের কল্যাণ রাষ্ট্রগুলো রাতারাতি গড়ে ওঠেনি। তার আগে শত শত বছরের যুদ্ধ হয়েছে। করব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। আমলাতন্ত্র তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র শক্তিশালী হয়েছে। শিল্পবিপ্লব ঘটেছে। জাতীয় পরিচয় গড়ে উঠেছে। শ্রমিক আন্দোলন রাষ্ট্রকে চাপ দিয়েছে। তার পর কল্যাণনীতি এসেছে।
অর্থাৎ, ওয়েলফেয়ার রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নয়; রাষ্ট্র গঠনের পরবর্তী স্তর। বাংলাদেশের সমস্যা হলো, আমরা অনেক সময় শেষ ধাপের রাজনীতি করতে চাই, অথচ প্রথম ধাপের কাজ এখনও শেষ করিনি! বাংলাদেশ একটি উপনিবেশ-পরবর্তী রাষ্ট্র। আমাদের প্রশাসনিক কাঠামো, আইন, আমলাতন্ত্র, ভূমিব্যবস্থা, পুলিশ ব্যবস্থা এবং অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও ঔপনিবেশিক যুগের ধারাবাহিকতা বহন করে। নাগরিককে এখনও প্রায়ই রাষ্ট্রের অংশ নয়, বরং রাষ্ট্রের অধীন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ফলে বাংলাদেশে রাষ্ট্রের সংকট মূলত কল্যাণের সংকট নয়; রাষ্ট্র গঠনের সংকট।

আমাদের বিচারব্যবস্থা দুর্বল, প্রশাসন রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত, করব্যবস্থা অকার্যকর, স্থানীয় সরকার দুর্বল, আইন প্রয়োগ অসম এবং অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের অধীন। এখানেই আসে রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন। রাষ্ট্র দুর্বল কেন? কারা দুর্বল রাষ্ট্র থেকে লাভবান হয়? কারা চায় আইন শক্তিশালী না হোক? কারা চায় প্রশাসন নিরপেক্ষ না হোক? কারা চায় বিচারব্যবস্থা ধীর ও অকার্যকর থাকুক?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গেলে দেখা যায়, রাষ্ট্রের দুর্বলতা কোনো দুর্ঘটনা নয়; এটি অনেক সময় একটি রাজনৈতিক অর্থনীতি। রাষ্ট্রের অগঠিত অবস্থা অনেকের জন্য লাভজনক। দুর্নীতিগ্রস্ত আমলা, সুবিধাভোগী রাজনৈতিক গোষ্ঠী, কর ফাঁকিবাজ অর্থনৈতিক এলিট, ব্যাংক লুটেরা, ভূমিদস্যু ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক ক্ষমতা কাঠামো রাষ্ট্রের দুর্বলতা থেকেই শক্তি পায়।

ব্যর্থ রাষ্ট্র মানে কর ফাঁকির সুযোগ। ব্যর্থ রাষ্ট্র মানে ব্যাংক লুটের সুযোগ। অসফল রাষ্ট্র মানে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ। দুর্বল রাষ্ট্র মানে আইনকে প্রভাবিত করার সুযোগ। অতএব, রাষ্ট্র গঠন কেবল প্রশাসনিক সংস্কার নয়; এটি ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস। যখন ক্ষমতা প্রশ্ন আসে, তখন সেখানে সংঘাত অনিবার্য।

যারা বিদ্যমান ব্যবস্থায় লাভবান, তারা কখনও স্বেচ্ছায় তাদের সুবিধা ছেড়ে দেয় না। ইতিহাসের প্রতিটি রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াই এই কারণে সংঘর্ষপূর্ণ ছিল। ইংল্যান্ডে ছিল গৃহযুদ্ধ। ফ্রান্সে ছিল বিপ্লব। জাপানে ছিল মেইজি পুনর্গঠন।
তাই রাষ্ট্র গঠন মানে কেবল নতুন নীতিমালা লেখা নয়; রাষ্ট্র গঠন মানে বিদ্যমান সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে যাওয়া। এটি স্ট্যাটাস কু ভাঙার রাজনীতি। এই কারণেই বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো, রাষ্ট্রকে কিছু গোষ্ঠীর সম্পদ আহরণের যন্ত্র থেকে নাগরিকদের রাষ্ট্রে রূপান্তর করা। প্রশাসনকে দলীয় সম্পত্তি হতে দেওয়া যাবে না। বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবমুক্ত করতে হবে। কর ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। দুর্নীতিকে রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হিসেবে মেনে নেওয়া বন্ধ করতে হবে।

রাষ্ট্র গঠন ছাড়া ভাতের রাজনীতি টেকসই নয়। রাষ্ট্র গঠন ছাড়া কাতের রাজনীতিও সম্ভব নয়। অতএব, আজকের বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, আমরা কি কেবল ভাতের জন্য রাজনীতি করব, নাকি এমন একটি রাষ্ট্র গড়ব যা নিজের ভাত, নিজের স্বাধীনতা এবং নিজের ভবিষ্যৎ– সবকিছুই রক্ষা করতে সক্ষম?
কারণ ইতিহাসের শিক্ষা সহজ: যে জাতি নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে মূল্য দিতে শেখে না, একসময় তার ভাতও অন্যের দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, কাতের ওয়েলফেয়ার তো বহুদূর! 

জোবাইরুল হাসান আরিফ: যুগ্ম মুখ্য সংগঠক, এনসিপি

আরও পড়ুন

×