ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ঢাকা চেম্বারের সেমিনারে ডেলিগেশন প্রধান

এলডিসি উত্তরণের পর ইইউর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে

এলডিসি উত্তরণের পর ইইউর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৩ | ০১:১০ | আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৩ | ০১:১০

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশনের প্রধান রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াটলি বলেছেন, বহু বছর ধরেই ইইউভুক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির একটি আদর্শ গন্তব্যস্থল। ইইউ ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে ইইউর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে পরিচালিত ইউরোপের কোম্পানিগুলোর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সেমিনারে চার্লস হোয়াটলি এসব কথা বলেন। রাজধানীর গুলশানের হোটেল রেনেসন্সে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ইইউ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি, এভিয়েশন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি, ওষুধ প্রভৃতি খাতে ইইউ কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আরও বেশি হারে বাণিজ্য ও বিনিযোগ কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর রাষ্ট্রদূত জোর দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সবার সহযোগিতায় মোকাবিলা করতে হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ দেশে কার্যক্রমে থাকা ইইউ কোম্পানিগুলোর পরামর্শ চান তিনি।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, আমাদের স্থানীয় বাজার বেশ বড়, যেখানে ইইউ কোম্পানিগুলো বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে পারে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো স্থানীয় উদ্যোক্তা খুঁজে পেতে বিডা সহযোগিতা করবে।

স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার আশা করেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হওয়ার পর বিদ্যমান শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা অব্যাহত রাখবে ইইউ। অনুষ্ঠানে দুটি বিষয়ভিত্তিক আলোচনা  হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন দূতাবাসের কনস্যাল জোরেট মারভেলিনের সঞ্চালনায় ‘বাংলাদেশে ইইউর বিনিয়োগের চ্যালেঞ্জ : কোম্পানি প্রেক্ষিত’বিষয়ক সেশনে বক্তারা ইইউ কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই নীতি সহায়তা, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর জোর দেন। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ‘জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে বাংলাদেশের কর্মপন্থা’বিষয়ক সেশনে বক্তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেন। 

ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি এস এম গোলাম ফারুক আলমগীর (আরমান), সহসভাপতি মো. জুনায়েদ ইবনে আলীসহ চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

×