ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

স্বাভাবিক ব্যাংকিং চালুর দাবি ক্যাবের

স্বাভাবিক ব্যাংকিং চালুর দাবি ক্যাবের
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ মে ২০২০ | ০৬:১৩

সীমিত ব্যাংকিংয়ের পরিবর্তে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করার প্রস্তাব করেছে ভোক্তা স্বার্থ নিয়ে কাজ করা সংস্থা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগ ও মহানগর কমিটি। সংস্থাটি বলেছে, সীমিত পরিসরে ব্যাংকিংয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের কার্যক্রম করা গেলেও সাধারণ গ্রাহকরা সেবা পাচ্ছেন না। আবার একই শাখায় অতিরিক্ত গ্রাহক জমা হওয়ায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে ব্যাংক কর্মকর্তাদের পালাক্রমে দায়িত্ব পালনের কারণে সাধারণ জনগনের ব্যাংকিং লেনদেন মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সীমিত ব্যাংকিং, পালাক্রমে দায়িত্বপালন ও রেশনিং করে ব্যাংক খোলা রাখার পরিবর্তে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করা হলে সামাজিক দূরত্ব প্রতিপালন সম্ভব হবে এবং সাধারণ গ্রাহকরাও সেবা পাবেন।

শনিবার এক প্রেস বিবৃতিতে এ প্রস্তাব করেছে ক্যাব। বিবৃতিতে ক্যাব জানিয়েছে, সংস্থাটির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম ও দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবদুল মান্নান ব্যাংকিং সেবার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে এ প্রস্তাব করেছেন। 

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের বিস্তৃতির মধ্যেও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে তা অবশ্যই ইতিবাচক। জীবন-জীবিকা সচল রাখতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা কোন অংশে কম নয়। তবে সীমিত কার্যক্রমের কারণে বিভিন্ন পেনশন স্কিম ও সঞ্চয় পত্রের গ্রাহকরা লভ্যাংশ পেতে প্রতিবন্ধকতায় পড়ছেন। এতে ওই ধরনের মানুষের জীবন-জীবিকায় কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া সীমিত ব্যাংকিং চলমান থাকলে সরকারের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকজনের জন্য প্রণোদানা বিতরণ, সরকারী-বেসরকারী খাতের করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় ত্রাণ কার্যক্রমও ব্যাহত হবে বলে মনে করছে ক্যাব।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ব্যাংকগুলোর নেওয়া নিরাপত্তা কৌশলের কারণে ব্যাংকার সুরক্ষিত থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য প্রয়োজনের তুলনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে। আবার অতিরিক্ত গ্রাহকের চাপে অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে গ্রাহকদের ঝুঁকি বাড়ছে। ফলে গ্রাহকদের সুরক্ষায় আরও নজর দিতে হবে বলেও সংস্থাটি মত দিয়েছে। 

আরও পড়ুন

×