ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আন্দোলনকারীদের সংবাদ সম্মেলন

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দাবি 

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দাবি 
×

ব্যাংকবের সামনে সমাবেশ করছেন সচেতন গ্রাহক ফোরাম। ছবি-সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬ | ১৫:০০

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবিতে আজ দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খানের রাজনৈতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। 

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ইসলামী ব্যাংকের সামনে সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ৭ দফা দাবি তুলে ধরা।

৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ১. ইসলামী ব্যাংকে অবৈধভাবে নিয়োগকৃত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে পদত্যাগ করতে হবে, ২. ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল করতে হবে, ৩. লুটপাটের সাথে জড়িত কেউই ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে থাকতে পারবে না, ৪. ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করতে হবে, ৫. এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা তার সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করতে হবে, ৬. শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়, এস আলম যাতে কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে, ৭. ইসলামী ব্যাংকসহ সকল ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস গত ২৪ মে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক এম জুবায়দুর রহমান। ওই দিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। খুরশীদ আলম ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আন্দোলনের মুখে তিনিসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন চার কর্মকর্তা পদত্যাগে বাধ্য হন।

আন্দোলনকারীরা ৭ দফা দাবির পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খানের সোমবার দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান। আন্দোলনকারীরা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়িত্বশীল পদে থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা গ্রাহক। গ্রাহক পরিচয়েই এখানে দাবি নিয়ে এসেছি।

আরিফ হোসেন খান সোমবার বলেন, ব্যাংকের কোনো সিদ্ধান্তই রাস্তার কোনো আন্দোলনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে না। আন্দোলনের কারণে সিদ্ধান্ত বদলও হবে না। কোনো ব্যাংকই কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হতে পারে না। রাজনৈতিক পরিচয় কোনো ব্যাংকের অস্তিত্বের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। 

আরও পড়ুন

×