ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছর

রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত 

রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত 
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬ | ১০:৫৯

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানি খাতে নগদ প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) কার্যক্রমে খাতভিত্তিক কভারেজ ও প্রণোদনার হার গত অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্ধারিত ৪৩টি রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে ০.৩০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে। পণ্যভিত্তিক হার আগের অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে, যা নীতিগত ধারাবাহিকতার প্রতিফলন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন সাপেক্ষে এবং বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এ প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রণোদনা প্রদানের ক্ষেত্রে সব শর্ত, যোগ্যতা মানদণ্ড এবং কার্যপ্রণালি অপরিবর্তিত থাকবে। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে যথাযথ যাচাই-বাছাই করে আবেদন নিষ্পত্তি এবং প্রচলিত নির্দেশনা অনুযায়ী প্রণোদনা বিতরণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বর্তমান বৈশ্বিক চাহিদা ও ব্যয়ের চাপের প্রেক্ষাপটে অপরিবর্তিত প্রণোদনা কাঠামো রপ্তানিকারকদের জন্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এ পদক্ষেপ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, অপ্রচলিত খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং পূর্বানুমানযোগ্য নীতিগত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে, যা অতিরিক্ত রাজস্ব চাপ সৃষ্টি না করেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে রপ্তানি প্রণোদনা বাবদ আট হাজার ৮২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গত অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৯ হাজার ২৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হলে রপ্তানি খাতে নগদ প্রণোদনা দিতে পারবে না। এ কারণে গত অর্থবছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রণোদনার হার কমানো হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরেও কিছুটা কমানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর জন্য সরকারের আবেদনে জাতিসংঘ কমিটির সমর্থন থাকায় এবং গত অর্থবছরে রপ্তানি কমে যাওয়ার প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। 

আরও পড়ুন

×