ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাক্ষাৎকার

স্বপ্ন অনেক থাকে কিন্তু সব তো পূরণ হয় না: লাবণ্য

স্বপ্ন অনেক থাকে কিন্তু সব তো পূরণ হয় না: লাবণ্য
×

লাবণ্য চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

বুলবুল ফাহিম

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ১৪:১৭ | আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ১৪:২৭

লাবণ্য চৌধুরী। শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়জীবন শুরু। দেখতে দেখতে এক যুগের বেশি সময়ের অভিনয়যাত্রা। সম্প্রতি কাজ করেছেন ওয়েব ফিল্ম ‘মিশন ডিডিএলজে’-এ। নতুন কাজ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন বুলবুল ফাহিম

ওয়েব ফিল্ম ‘মিশন ডিডিএলজে’-তে অভিনয় করছেন। এটি নিয়ে জানতে চাই।
এখানে আমার চরিত্রের নাম দিয়া। সে খুব চঞ্চল একটা মেয়ে; কিন্তু নব্বই দশকের প্রেমের গল্পে খুব আকৃষ্ট। সে সেই সময়ের মতো একটা লাইফ স্টোরি চায় এবং সেই চেষ্টা করতে থাকে। নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক ভাইয়া সেই গল্পটা দারুণ রূপায়ণ করেছেন। এ ছাড়া ‘মিশন ডিডিএলজে’-এর অর্থটা দর্শক সিনেমা দেখলে বুঝতে পারবেন।

প্রতিনিয়ত এখন ওটিটি কনটেন্ট মুক্তি পায়। ঠিক এই সময়ে ‘মিশন ডিডিএলজে’ কেন দেখবেন দর্শক?
এই কনটেন্টের মধ্যে অনেক লেয়ার আছে। এর মধ্যে এটি একটি, এটার গল্প নব্বই দশকের মিষ্টি প্রেমের গল্প। যারা নব্বই দশকের গল্প পছন্দ করেন এবং ওই ফিলটা পেতে চান, তাহলে আমাদের এই গল্পটা দেখবেন বলে আমি মনে করি। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে নব্বই দশকের অনেক সিনেমার রেফারেন্স আছে।

লাবণ্য চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

যেহেতু নব্বই দশকের প্রেমের গল্প, চরিত্র ধারণ করতে কতটা চ্যালেঞ্জ ছিল?
এখানে সে রকম কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। কারণ, এই যুগের ছেলেমেয়ে হয়ে নব্বই দশকের মেয়ের মতো জীবন বা প্রেম চায়। যদি সেই সময়ের চরিত্র ধারণ করতে হতো, তাহলে চ্যালেঞ্জটা বেশি নিতে হতো।

বিজ্ঞাপন দিয়ে শুরু, এরপর সিনেমা ও নাটক ওটিটি চার প্ল্যাটফর্মের মধ্যে পার্থক্য বা চরিত্র রূপায়ণে কতটা বুঝলেন।
যেহেতু চারটা প্ল্যাটফর্ম চার রকমের, সেহেতু কাজের ধরন ও চাপ তো ভিন্ন হবেই। সিনেমার চাপ সবচেয়ে বেশি। কারণ, এটি সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম। তবে নাটক ও সিনেমার চেয়ে ওটিটির কাজের চাপ কোনো অংশে কম নয়। তবে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ আমি খুব এনজয় করি।

এখন কোন প্ল্যাটফর্মে বেশি মনোযোগ দিতে চান।
নাটকে আগে খুব একটা কাজ হয়নি। পড়াশোনার চাপ ছিল। এখন কিছুটা কমেছে। এখন নাটকে একটু বেশি মনোযোগ দিতে চাই। এ ছাড়া ভালো গল্প পেলে সিনেমা-ওটিটিতে কাজ করব।

লাবণ্য চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আপনার ক্যারিয়ারে কতটা মাইলেজ দিয়েছে বলে মনে হয়?
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আমার জীবনের একটা বিরাট মাইলফলক। বলতে গেলে এটা আমার ক্যারিয়ারে ১০-এ ১০ সিনেমা। এই সিনেমার জন্য আমি সবচেয়ে বেশি রেসপন্স পেয়েছি। বিশেষ করে আমার মিডিয়াতে যোগাযোগটা ভালো হয়েছে। এ ছাড়া ওখানে অনেক গুণী শিল্পী ছিলেন, তাদের থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।

গায়িকা হওয়ার জন্য গান শিখেছিলেন; কিন্তু নায়িকা হয়ে গেলেন...
ছোটবেলা থেকে আমাদের অনেক স্বপ্ন থাকে; কিন্তু সব তো আর পূরণ হয় না। তবে হ্যাঁ, আমি কয়েক বছর গান শিখেছিলাম, বিশেষ করে আমার মায়ের ইচ্ছা ছিল। কিন্তু গান নিয়ে আর এগিয়ে যাওয়া হয়নি। এ ছাড়া আমার মন খুব একটা টানেনি বলেই হয়তো এটি হয়নি। তবে নাচের প্রতি আমার ছোটবেলা থেকেই টান ছিল। এটা শিখেছি। এখন অভিনয় নিয়েই আছি।

বর্তমানে অভিনয় নিয়ে নিজের ভাবনা?
মনোযোগ দিয়ে কাজ করে যেতে চাই। সিনেমায় সব সময় যে নায়িকা হতে হবে, তা মনে করি না। তবে একজন সুঅভিনেত্রী হতে চাই; যে কিনা সব ধরনের চরিত্রে অভিনয়ে পারদর্শী। সামনে আরও ভালো কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।

আরও পড়ুন

×