টম ক্রুজ-অ্যান হ্যাথাওয়ে জুটিতে রেসিংয়ের নতুন গল্প
টম ক্রুজ ও অ্যান হ্যাথাওয়ে
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬ | ১৫:১৯ | আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৬ | ১৫:২২
হলিউডের দুই জনপ্রিয় তারকা টম ক্রুজ ও অ্যান হ্যাথাওয়েকে এবার দেখা যাবে একই ছবিতে। রেসিং ঘরানার সিনেমা ‘ডেজ অব থান্ডার’-এর পরবর্তী পর্বে জুটি বাঁধছেন তারা। টম ক্রুজের বিপরীতে অ্যান হ্যাথাওয়ের অভিনয়ের খবরটি নিশ্চিত করেছে বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ভ্যারাইটি’। ফলে দীর্ঘদিন পর ‘ডেজ অব থান্ডার’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যেমন ফিরছেন ক্রুজ, তেমনি তাঁর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন এক তারকা মুখ।
১৯৯০ সালে মুক্তি পেয়েছিল টনি স্কট পরিচালিত ‘ডেজ অব থান্ডার’। রেসিংকে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাটিতে টম ক্রুজ অভিনয় করেছিলেন কোল ট্রিকল চরিত্রে। গতির রোমাঞ্চ, প্রতিযোগিতার উত্তেজনা এবং ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব। সব মিলিয়ে ছবিটি দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল। মুক্তির প্রায় চার দশক পর এবার সেই গল্পের জগতেই নতুন অধ্যায় যুক্ত হতে যাচ্ছে।
প্যারামাউন্ট পিকচার্স জানিয়েছে, ‘ডেজ অব থান্ডার’-এর সিকুয়েল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ২০২৮ সালের ২ জুন। নতুন ছবিতেও কোল ট্রিকল চরিত্রে থাকছেন টম ক্রুজ। তবে এবারের গল্পে তাঁর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে। তাঁকে দেখা যাবে একটি রেসকার দলের মালিক ও প্রকৌশলীর চরিত্রে। ফলে রেসিং জগতের অভিজ্ঞ ও লড়াকু ড্রাইভার কোল ট্রিকলের সঙ্গে হ্যাথাওয়ের চরিত্রের সম্পর্ক ও দ্বন্দ্ব ছবির অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। অ্যান হ্যাথাওয়ের যুক্ত হওয়া নিয়ে ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে আগ্রহ।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) একটি নাসকার ট্র্যাকে হ্যাথাওয়ের সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ করে তার কাস্টিং উদযাপন করেছেন টম ক্রুজ। এর মধ্য দিয়ে নতুন এই জুটির পর্দার বাইরের বন্ধুত্বপূর্ণ উপস্থিতিও সামনে এসেছে।
নতুন ‘ডেজ অব থান্ডার’ পরিচালনা করবেন জোনাথন লেভিন। সিনেমাটিকে বড় পর্দায় দর্শকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবিটি বিশেষভাবে আইম্যাক্স ক্যামেরায় চিত্রায়িত হবে। পাশাপাশি শুধু প্রেক্ষাগৃহে ডলবি সিনেমা ও ৪-ডিএক্স ফরম্যাটে প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ রেসিংয়ের গতি, গাড়ির শব্দ ও অ্যাকশনের মুহূর্তগুলো দর্শকের সামনে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ছবিটির প্রযোজনায় রয়েছেন টম ক্রুজ, জেরি ব্রুকহাইমার ও টমি হার্পার। ‘ডেজ অব থান্ডার’-এর মূল ছবির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন জেরি ব্রুকহাইমার। তাই পুরোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মের নির্মাণশৈলীর সমন্বয়ে এবার কীভাবে গল্পটি এগোয়, সেদিকেও নজর থাকবে দর্শকের।
‘মিশন: ইম্পসিবল’ ফ্র্যাঞ্চাইজির দীর্ঘ যাত্রা শেষের পর এটি টম ক্রুজের অন্যতম বড় নতুন কাজ। এর আগে ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’ দিয়ে পুরোনো একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নতুন প্রজন্মের কাছে সফলভাবে ফিরিয়ে এনেছিলেন তিনি। এবার ‘ডেজ অব থান্ডার’ নিয়েও তেমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।