গুরুতর আহত অভিনেত্রীর পঙ্গু হওয়ার ঝুঁকি কতটা, জানালেন চিকিৎসক
নুসরাত ভারুচা। ছবি: ফেসবুক
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:১৮ | আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:৪৬
ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নুসরাত ভারুচা। এতে তার মেরুদণ্ডের হাড়ে ফাটল ধরেছে। প্রথমে বালির একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে মুম্বাইয়ের হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এই অভিনেত্রী।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নুসরাতের মেরুদণ্ডে ফাটল ধরেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে ‘ভার্টিব্রাল ফ্র্যাকচার’ বলা হয়। সাধারণত দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া কিংবা শরীরে প্রচণ্ড আঘাতের কারণে মেরুদণ্ডের হাড়ে এ ধরনের চোট হতে পারে।
মেরুদণ্ডে ফাটল ধরার জন্য সবসময় বড় কোনো দুর্ঘটনার প্রয়োজন হয় না। শরীরে ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি, হরমোনজনিত সমস্যা কিংবা অস্টিওপোরোসিসের কারণে হাড় দুর্বল হয়ে গেলেও সামান্য আঘাতে ফ্র্যাকচার হতে পারে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, স্পাইনাল ফ্র্যাকচারের ক্ষেত্রে শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নুসরাতের যে ধরনের ফ্র্যাকচার হয়েছে, তা পুরোপুরি সেরে উঠতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এ ধরনের চোটে মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে যাওয়া কিংবা পঙ্গুত্বের আশঙ্কা থাকলেও নুসরাতের ক্ষেত্রে সেই ঝুঁকি তুলনামূলক কম। অনেক সময় মেরুদণ্ডের হাড় অস্ত্রোপচার ছাড়াই ধীরে ধীরে জোড়া লেগে যায়। চোটের ধরন ও মাত্রা বিবেচনা করে চিকিৎসকেরা সিদ্ধান্ত নেন, প্লাস্টার বা অন্য কোনো সাপোর্টেই চিকিৎসা সম্ভব হবে, নাকি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন রয়েছে।

হাড় জোড়া লাগার পরও চিকিৎসা শেষ হয় না। ধীরে ধীরে ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে পেশির স্বাভাবিক শক্তি ও কর্মক্ষমতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। তাই মেরুদণ্ডে আঘাত লাগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: দ্য ওয়াল
- বিষয় :
- নুসরাত ভারুচা