ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চে গানে চলচ্চিত্রে

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চে গানে চলচ্চিত্রে
×

‘গেরিলা’ ছবির একটি দৃশ্যে জয়া আহসান

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৩:১৩

একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত সংগ্রাম আর লাখো প্রাণের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মুক্ত-স্বাধীন মানচিত্র, লাল-সবুজ পতাকা। যুদ্ধকালীন ও পরবর্তী সময়ে একাত্তরের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র, মঞ্চনাটক ও কালজয়ী কিছু গান নিয়ে এ আয়োজন।

একাত্তরে মা-মাটি-ভাষার জন্য সংগ্রামে নেমেছিল লাখো বাঙালি। সে সংগ্রাম রুখে দিতে পাকিস্তানিরা চালিয়েছিল বর্বর ধ্বংসযজ্ঞ। তাদের সেই শোষণ-নিপীড়ন আর হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল বাঙালি বীর সেনানীরা। মুক্ত-স্বাধীন মানচিত্রের জন্য হাতে তুলে নিয়েছিল অস্ত্র। তেমনি তাদের প্রেরণা জোগাতে অন্য যোদ্ধারা কণ্ঠে তুলে নিয়েছিলেন মুক্তির গান, কথিকা, নাটকের সংলাপ। ইথারে ভেসে আসা সেসব আয়োজন মুক্তিকামী যোদ্ধাদের সাহসী করে তুলেছে, স্বপ্ন দেখিয়েছে মুক্ত-স্বাধীন বাংলাদেশের। যাকে আমরা পেয়েছি রক্তাক্ত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। লাখো প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছি মুক্ত-স্বাধীন মানচিত্র, লাল-সবুজ পতাকা। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়েও একাত্তরের সেই ইতিহাস স্থান পেয়েছে অসংখ্য চলচ্চিত্র, টিভি ও মঞ্চনাটক, গল্প, কবিতা, চিত্রকর্ম, গানসহ নানা মাধ্যমে। তেমনই কিছু গান, মঞ্চনাটক ও চলচ্চিত্রের কথা তুলে ধরা হলো।

শুরু করা যাক চলচ্চিত্র দিয়ে। স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে অনেকে যখন হাতে তুলে নিয়েছিলেন রাইফেল, তখনই দেশের এই সংগ্রামকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে কিছু তরুণ তুলে নিয়েছেন ক্যামেরা। জীবন বাজি রেখে যুদ্ধের সময়ের বিভিন্ন দৃশ্য ধারণ করে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জহির রায়হান 'ধীরে বহে মেঘনা' নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার অব্যবহিত পর তিনি নিখোঁজ হন। পরে আলমগীর কবির নির্মাণ করেন ছবিটি। স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'। চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই চলচ্চিত্র ১১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে গঠিত গেরিলা দল পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান এবং দেশ স্বাধীন নিয়ে নির্মিত। এই ১১ জনের ১০ জনই ছিলেন সরাসরি মুক্তিযোদ্ধা। ছবিটি ১৯৭২ সালের ১১ আগস্ট মুক্তি পায়। একই বছর মুক্তি পায় সুভাষ দত্তের 'অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী', মমতাজ আলীর 'রক্তাক্ত বাংলা' ও আনন্দের 'বাঘা বাঙালি'। পরের বছর ১৯৭৩ সালে আলমগীর কবিরের 'ধীরে বহে মেঘনা', আলমগীর কুমকুমের 'আমার জন্মভূমি', খান আতাউর রহমানের 'আবার তোরা মানুষ হ' মুক্তি পায়। প্রতিটি ছবিই দর্শকের মনে ছাপ ফেলেছে।

যার পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে চলচ্চিত্র নির্মিত হতে থাকে। ১৯৭৪ সালে চাষী নজরুল ইসলাম নির্মাণ করেন 'সংগ্রাম'। এর পর মুক্তি পায় নারায়ণ ঘোষ মিতার 'আলোর মিছিল', আনন্দের 'কার হাসি কে হাসে'। মাঝে এক বছর বিরতির পর আবার নির্মিত হতে থাকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে গত কয়েক দশকে অসংখ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। হারুনর রশীদের 'মেঘের অনেক রং', শহীদুল হক খানের 'কলমীলতা', নাসির উদ্দীন ইউসুফের 'একাত্তরের যীশু', 'গেরিলা', হুমায়ূন আহমেদের 'আগুনের পরশমণি', 'শ্যামল ছায়া', কাজী হায়াতের 'সিপাহি', তানভীর মোকাম্মেলের 'নদীর নাম মধুমতী', 'রাবেয়া', 'জীবন ঢুলী', চাষী নজরুল ইসলামের 'হাঙর নদী গ্রেনেড', 'মেঘের পরে মেঘ, 'ধ্র্রুবতারা', খান আতাউর রহমানের 'এখনও অনেক রাত', বাদল রহমানের 'ছানা ও মুক্তিযুদ্ধ', তৌকীর আহমেদের 'জয়যাত্রা', মোরশেদুল ইসলামের 'খেলাঘর', 'আমার বন্ধু রাশেদ', 'অনিল বাগচীর একদিন', খালিদ মাহমুদ মিঠুর 'গহীনে শব্দ', মুশফিকুর রহমান গুলজারের 'নিঝুম অরণ্যে', রুবাইয়াত হোসেনের 'মেহেরজান', মিজানুর রহমান শামীমের '৭১-এর গেরিলা', মনসুর আলীর '৭১-এর সংগ্রাম', জাহিদুর রহিম অঞ্জনের 'মেঘমল্লার', শাহ আলম কিরণের '৭১-এর মা জননী', রিয়াজুল রিজুর 'বাপজানের বায়োস্কোপ', সোহেল আরমানের 'এই তো প্রেম', ফাখরুল আরেফিন খানের 'ভুবন মাঝি'সহ প্রতিটি ছবিই হয়ে উঠেছে একাত্তরের একেকটি দলিল। যেখানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন, ধ্বংসযজ্ঞ এবং মুক্তির লড়াইয়ে বীর বাঙালির যুদ্ধ আর আত্মত্যাগের ঘটনা উঠে এসেছে। যদিও ইতিহাসের আলোকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ সহজ নয়, তবুও নির্মাতারা নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে সরে আসেননি। মুক্তিযুদ্ধের মতো বড় একটি ক্যানভাসের চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে তৌকীর আহমেদ বলেন, 'চলচ্চিত্র নির্মাণের শুরু থেকে আপনাকে মনে রাখতে হবে, এর গল্প যেন ইতিহাস থেকে কোনোভাবেই সরে না যায়।

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ঘটনাবহুল এক অধ্যায়। একটি ছবির ফ্রেমে তাকে পুরোপুরি তুলে ধরা যাবে না। তাই যে অংশ আপনি তুলে ধরবেন, তা যেন বাস্তব হয়ে দর্শকের কাছে ধরা দেয়। তা করতে গেলে ছবির বাজেট নিয়েও আলাদা করে ভাবতে হয়।' তার এ কথার রেশ ধরে নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম বলেন, 'এ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অর্ধশতাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। দেশের গৌরবান্বিত মহান মুক্তিযুদ্ধের বিশালতা, বীরত্বগাথা বস্তুনিষ্ঠভাবে কিঞ্চিৎই উঠে এসেছে আমাদের চলচ্চিত্রে।' তার এই কথার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন অনেকে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, গল্প বাছাইয়ে মননশীলতা ও সচেতনতার অভাব এবং কারিগরি সমস্যা ও বাজেট স্বল্পতাকে। তরুণ নির্মাতা ফাখরুল আরেফিন খান অবশ্য এ নিয়ে নিরাশার কথা বলেননি। তার কথায়- সীমাবদ্ধতার মধ্যেও যেসব ছবি নির্মিত হচ্ছে, সেখানে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস উঠে এলেই তা সার্থক। অবশ্য চাইলে স্বল্প পরিসরেও মুক্তিযুদ্ধের ছবি নির্মাণ করা যেতে পারে, সে ক্ষেত্রে চিত্রনাট্য গুরুত্বপূর্ণ। আশার কথা হলো, আমাদের ছবিগুলোর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধীরে ধীরে হলেও অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

চলচ্চিত্রের মতো গানও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগিয়ে তুলতে যুগ যুগ ধরে অবদান রেখে যাচ্ছে। যুদ্ধের দিনগুলোয় ইথারে ভেসে আসা 'জয় বাংলা বাংলার জয়', 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি', 'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে', 'নোঙর তোল তোল', 'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে', 'বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা', 'ভেবো না গো মা', 'বাংলাদেশ', 'বাঁধ ভেঙে দাও', 'আমরা সবাই বাঙালি'সহ অসংখ্য গান যুদ্ধের প্রেরণা জুগিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের। কারণ সেগুলো শুধু গান নয়, এ ছিল স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখার মন্ত্র। যার গীতিকথায় ছিল জাগরণের বাণী, সুরে অগ্নিঝরা বাণ আর গায়কিতে ছিল বজ্রহুঙ্কার। একাত্তরে বীর বাঙালি যেমন হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন, তেমনি তাদের প্রেরণা জোগাতে অন্য যোদ্ধারা কণ্ঠে তুলে নিয়েছিলেন মুক্তির গান। জানিয়েছেন, মা-মাটি-দেশ শুধু এক সুতোয় গাঁথা তিনটি শব্দ নয়, প্রতিটি জাতিসত্তার পরিচয়ের ভিত্তি। যার বাঁধন ছিন্ন করা যায় না। হাজারো নির্যাতন, লাঞ্ছনা-বঞ্চনা মাথায় নিয়েও এ বন্ধন অটুট রাখা চাই। তাহলেই রচিত হবে মুক্ত-স্বাধীন বিজয়গাথা। সে কথা মেনে নিয়ে সম্মুখ সমর থেকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন আপেল মাহমুদ। কিংবদন্তি এই কণ্ঠশিল্পী বলেন, 'উফ, কত মৃত্যু, অনাচার, অত্যাচার যে দেখেছি, তা বলে শেষ করা যাবে না। পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা যারা না দেখেছে তারা কখনও এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারবে না। সেই হৃদয়বিদারক দৃশ্যগুলো মনে গেঁথে রেখেই নেমেছিলাম যুদ্ধের ময়দানে।

শুরুতে অস্ত্র হাতে সম্মুখযুদ্ধে পড়ে গানে গানে যুদ্ধ চালিয়ে গেছি।' আপেল মাহমুদের কথার রেশ ধরে সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রধান অস্ত্র ছিল সংগীত। গানে গানে আমরা সাহস জুগিয়েছি, স্বপ্ন বুনেছি স্বাধীন দেশের। এ জন্য স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালকসহ প্রত্যেকেই দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। হয়তো এ কারণেই সে সময়ের সৃষ্টিগুলো এখনও শ্রোতাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করে যাচ্ছে।' শব্দসৈনিক, কণ্ঠশিল্পী শাহীন সামাদ বলেন, 'নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে পড়ছে। তারা জানতে চায় একাত্তরের ভয়াবহ দিনগুলোর ইতিহাস। আরও জানতে চায়, বীর শহীদদের কথা, নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গানগুলো সম্পর্কে। এ কারণেই আমি বিশ্বাস করি, যে গানগুলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এবং আজও মনকে আন্দোলিত করে যাচ্ছে, তা বেঁচে থাকবে চিরকাল।

চলচ্চিত্র ও গানের মতো মঞ্চনাটকেও মুক্তিযুদ্ধ নানাভাবে উঠে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের পর দেশে মঞ্চনাটক একটি আন্দোলন হিসেবে শুরু হয়। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে নাট্যাঙ্গনের রথী-মহারথীদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা-পরবর্তী নাট্যকাররা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে নাটক রচনা শুরু করেন। এ সময় নাটকে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বাস্তবতা, রোমান্টিকতা, এমনকি কমেডি, যা মঞ্চনাটকের এক বৈপ্লবিক পরির্বতন এনেছে।

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক রচিত 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়', 'যুদ্ধ এবং যুদ্ধ', 'তোরা সব জয়ধ্বনি কর', মমতাজউদ্‌দীন আহমেদ তার 'স্ব্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা', 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম', 'বর্ণচোর', আবদুল্লাহ আল মামুনের 'তোমরাই', 'দ্যাশের মানুষ', 'বিবিসাব', 'এখনও ক্রীতদাস', মামুনুর রশীদের 'সমতট', 'জয়জয়ন্তী', নাসির উদ্দীন ইউসুফ রচিত 'একাত্তরের পালা', 'ঘুম নেই', এসএম সোলায়মান রচিত 'এই দেশে এই বেশে'সহ বেশকিছু নাটকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্থান পেয়েছে। উঠে এসেছে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু সংগ্রাম, পাকিস্তানিদের হাতে নারী ধর্ষণের কাহিনী, ধর্ষিত ও নির্যাতিতদের আর্তনাদ, বাঙালির অকুতোভয় পথচলা আর বীরত্বগাথা। এমনকি রাজাকার, আলবদর, আলশামস তথা পাকিস্তানি নরপশুদের অমানবিক নিষ্ঠুরতার লোমহর্ষক নানা চিত্র, যার অনেক নাটকই এসেছে মঞ্চে। নাট্যবোদ্ধাদের কথায়, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এ পর্যন্ত অনেক নাটক লেখা হয়েছে, তবে সব নাটক শিল্প-উত্তীর্ণ নয়। তার পরও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যে নাটকগুলো রচিত ও মঞ্চস্থ হয়েছে তার ভূমিকাও একেবারে কম নয়। সময়ের দাবিতে এসব নাটকও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তারা। শুধু মৌলিক নাটকই নয়, অনুবাদ ও রূপান্তরিত নাটকও পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে আমাদের সংগ্রামমুখর জীবনের চলমান ছবি হয়ে উঠেছে।

মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও গানে মুক্তিযুদ্ধের যে ইতিহাস উঠে এসেছে, তা যুগ যুগ ধরে দর্শক-শ্রোতার মনকে নাড়া দিয়েছে। একই সঙ্গে স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করে তোলার চেষ্টা করে গেছে। মুক্তিযুদ্ধকে পূর্ণাঙ্গভাবে কোনো মাধ্যমে ধরে রাখা যাবে না; কিন্তু খণ্ড খণ্ডভাবে নানা মাধ্যমে এর ইতিহাস তুলে ধরলে তা দর্শক-শ্রোতার মনকে আন্দোলিত করবে- এমনই মত অনেকের।

আরও পড়ুন

×