স্বপ্ন পূরণের গল্প
×
--
প্রকাশ: ২৯ মে ২০২২ | ১২:০০
আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছে এক অনন্য স্বপ্নের নাম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস)। ২০০৭ সাল থেকে পৃথক পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী জজ বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়ে আসছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি)। সম্প্রতি প্রকাশিত বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীর সাফল্যের পথপরিক্রমা নিয়ে লিখেছেন নোমান বিন হারুন
আব্দুল্লাহ আল মামুন
মেধাক্রম : সপ্তম
মামুনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়। মাধ্যমিকে ওঠার পর কিছুটা ধাতস্থ হলেন, বুঝতে শিখলেন। ধীরে ধীরে পড়ায় মনোযোগী হলেন। এর জন্য মায়ের শাসনকেই স্বীকার করলেন মামুন। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তিনি ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। বিভাগে একদম প্রথম সারিতে ছিলেন শুরু থেকেই। জানালেন তখন পড়াশোনাটা হয়ে গিয়েছিল নেশার মতো। একদিন না পড়তে পারলে কিছুতেই ভালো লাগত না। অনার্স বিভাগে দ্বিতীয় হয়ে যে যাত্রা শুরু, তা মাস্টার্সে এসে শেষ হলো প্রথম হয়ে। জুডিশিয়ারিতে সাফল্যের মূলমন্ত্র জানালেন তাঁর নোট করে পড়ার অভ্যাস। ক্লাসের পড়া থেকেই প্রতিটি আইন পড়েছেন নিজের মতো করে, গুছিয়ে। সেই সঙ্গে রুটিন লাইফের ওপর জোর দিলেন মামুন। তাঁর মতে, নিয়মতান্ত্রিক পড়াশোনায় সাফল্য ধরা দেবেই। তাঁর ভবিষ্যৎ ভাবনা আইন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করা।
মো. হাসান শাহাদাত
মেধাক্রম :২৫তম
হাসান শাহাদাতের ইচ্ছা ছিল আইন পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করবেন। নামকরা অ্যাডভোকেট হবেন। তাই স্নাতকে অধ্যয়নের সময় থেকেই আইনের মোটা মোটা বইগুলো পড়েছেন খুবই যত্ন সহকারে। ফলে ডিপার্টমেন্টে ভালো ফলের পাশাপাশি জুডিশিয়ারির মতো কঠিন অপশন বেছে নিয়েছেন খুব সহজে।
তার মতে, দু-তিন মাসের সংক্ষিপ্ত সময়ে জুডিশিয়ারির পরিপূর্ণ প্রস্তুতি সম্ভব নয়। প্রয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি দিনের সঠিক সদ্ব্যবহার। পাশাপাশি বিজেএস পরীক্ষার জন্য পৃথক বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিও সমানভাবে জরুরি। এ ক্ষেত্রে কৌশলী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তাঁর লক্ষ্য ভবিষ্যতে বিচার বিভাগ নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করা। জনসাধারণের ভোগান্তি দূর করার চেষ্টা করা।
রুমাইয়া আক্তার শিফা
মেধাক্রম : ২৬তম
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ক্লাসে একদম নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন রুমাইয়া। পারতপক্ষে কখনও ক্লাস ফাঁকি দিয়েছেন বলে মনেই পড়ে না। এর ফলও তিনি পেয়েছেন খুব দ্রুত। ১৩০০ বিজেএস পরীক্ষায় একাধারে প্রিলি, লিখিত ও মৌখিকে অংশগ্রহণ করলেন। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না। পরে ১৪০০ বিজেএসে এসেই মিলল সেই কাঙ্ক্ষিত সোনার হরিণ। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের জন্য তিনি জোর দিলেন জানার প্রবল আগ্রহ এবং আইনের খুঁটিনাটি বিষয় আত্মস্থ করার ওপর। সেই সঙ্গে প্রয়োজন নিয়মিত পত্রিকা ও সাময়িকী পাঠ। ভবিষ্যতে ন্যায় ও সততার সঙ্গে কাজ করে বিচার বিভাগের মর্যাদার আসন সমুন্নত রাখতে চান এই কৃতী শিক্ষার্থী।
আব্দুল্লাহ আল মামুন
মেধাক্রম : সপ্তম
মামুনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়। মাধ্যমিকে ওঠার পর কিছুটা ধাতস্থ হলেন, বুঝতে শিখলেন। ধীরে ধীরে পড়ায় মনোযোগী হলেন। এর জন্য মায়ের শাসনকেই স্বীকার করলেন মামুন। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তিনি ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। বিভাগে একদম প্রথম সারিতে ছিলেন শুরু থেকেই। জানালেন তখন পড়াশোনাটা হয়ে গিয়েছিল নেশার মতো। একদিন না পড়তে পারলে কিছুতেই ভালো লাগত না। অনার্স বিভাগে দ্বিতীয় হয়ে যে যাত্রা শুরু, তা মাস্টার্সে এসে শেষ হলো প্রথম হয়ে। জুডিশিয়ারিতে সাফল্যের মূলমন্ত্র জানালেন তাঁর নোট করে পড়ার অভ্যাস। ক্লাসের পড়া থেকেই প্রতিটি আইন পড়েছেন নিজের মতো করে, গুছিয়ে। সেই সঙ্গে রুটিন লাইফের ওপর জোর দিলেন মামুন। তাঁর মতে, নিয়মতান্ত্রিক পড়াশোনায় সাফল্য ধরা দেবেই। তাঁর ভবিষ্যৎ ভাবনা আইন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করা।
মো. হাসান শাহাদাত
মেধাক্রম :২৫তম
হাসান শাহাদাতের ইচ্ছা ছিল আইন পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করবেন। নামকরা অ্যাডভোকেট হবেন। তাই স্নাতকে অধ্যয়নের সময় থেকেই আইনের মোটা মোটা বইগুলো পড়েছেন খুবই যত্ন সহকারে। ফলে ডিপার্টমেন্টে ভালো ফলের পাশাপাশি জুডিশিয়ারির মতো কঠিন অপশন বেছে নিয়েছেন খুব সহজে।
তার মতে, দু-তিন মাসের সংক্ষিপ্ত সময়ে জুডিশিয়ারির পরিপূর্ণ প্রস্তুতি সম্ভব নয়। প্রয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি দিনের সঠিক সদ্ব্যবহার। পাশাপাশি বিজেএস পরীক্ষার জন্য পৃথক বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিও সমানভাবে জরুরি। এ ক্ষেত্রে কৌশলী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তাঁর লক্ষ্য ভবিষ্যতে বিচার বিভাগ নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করা। জনসাধারণের ভোগান্তি দূর করার চেষ্টা করা।
রুমাইয়া আক্তার শিফা
মেধাক্রম : ২৬তম
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ক্লাসে একদম নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন রুমাইয়া। পারতপক্ষে কখনও ক্লাস ফাঁকি দিয়েছেন বলে মনেই পড়ে না। এর ফলও তিনি পেয়েছেন খুব দ্রুত। ১৩০০ বিজেএস পরীক্ষায় একাধারে প্রিলি, লিখিত ও মৌখিকে অংশগ্রহণ করলেন। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না। পরে ১৪০০ বিজেএসে এসেই মিলল সেই কাঙ্ক্ষিত সোনার হরিণ। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের জন্য তিনি জোর দিলেন জানার প্রবল আগ্রহ এবং আইনের খুঁটিনাটি বিষয় আত্মস্থ করার ওপর। সেই সঙ্গে প্রয়োজন নিয়মিত পত্রিকা ও সাময়িকী পাঠ। ভবিষ্যতে ন্যায় ও সততার সঙ্গে কাজ করে বিচার বিভাগের মর্যাদার আসন সমুন্নত রাখতে চান এই কৃতী শিক্ষার্থী।
